হ্যান্ড অব গড

অধিনায়ক গুণ্ডাপ্পা বিশ্বনাথ বোলিংয়ে আনলেন ক্যারিবিয়ান উইলো সম্রাটের শ্রেষ্ঠ ভারতীয় খাদককে। ঠিক সেইমুহুর্তে পিছনে ফিরে উইকেটরক্ষক সুরিন্দরখান্নাকে ব্যাটসম্যানটি বলেছিল – ‘What has he been brought on for?’ বলা বাহুল্য বরাবরের মতো সেবারেও…

নিষিদ্ধ গোলাপের তেজ

রোনালদো-নেইমারের আড়ালে জন্মদিনটা অবধি ভুলে যাওয়া হয়তো অন্ধকার অপরাধ জগতের ফুটবলময় চন্দ্রিল উপত্যকা তিনি। তবুও প্রতি অন্ধকারগলিতে জন্মাক এক একটা ‘তেজ’, যার উদ্ধত কণ্ঠ বলতে পারবে, ‘আমাকে অপরাধ দেখিয়েছো, আমি বেছে নিয়েছি ফুটবলকে!’

মায়াবী মাহেলা বৃত্তান্ত

সময়টা তখন ১৯৯৭ সম্ভবত। দলে সদ্য যোগ দেওয়া সেই তরুণ ব্যাটসম্যান মাহেলা নেমেছিলো কলম্বো প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে। একটু ব্যাকগ্রাউন্ডটা বলে রাখি। তার ভাই ধীশালই ছিল তার ক্রিকেটের অনুপ্রেরণা। কিছুদিন আগেই ক্যান্সার ছিনিয়ে নিয়েছে তাকে। এমতাবস্থায়…

একটি অসমাপ্ত ৯৯৯

কত লড়াই সামলে এসেছে সে,কিন্তু স্বপ্নেও ভাবেনি ঠিক এইভাবে শেষের পথে তলিয়ে যাবে সে। কি পেয়েছিল সে? কিছুই তো পায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার এক প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে এসে জাতীয় দলে জায়গা করে নেওয়া তো আর মুখের কথা ছিলনা।

বুদ্ধিটা তাঁর বাঘের, আর বুকের খাঁচাটা? ঠিক যেন সিংহ!

এত কম রানে কিভাবে জেতা সম্ভব, হাল ছেড়ে দিল সবাই। তখনি চওড়া হাসি হেসে সবার মাঝখানে এসে দাঁড়িয়েছে তাদের অধিনায়ক। চওড়া গোঁফ, চওড়া ছাতি, আর সবথেকে চওড়া বোধহয় বুকের পাটা টা, তারস্বরে বললেন, ‘চালো জওয়ানো লাড়কে আতে হে।’

মেঘে ঢাকা ‘সুনীল’

সেই স্বদেশী পোষাক পরিহিত ভদ্রলোক প্রবেশ করতেই উঠে দাঁড়ালো তাঁরা। শুধু উঠে দাঁড়ালোই না, সেই ভদ্রলোককে তারা সম্বোধন করলো – ‘ডি মাস্টার… ডি মাস্টার!’ ওই চার বন্ধুর নাম জানেন? ম্যালকম মার্শাল-জোয়েল গার্নার-অ্যান্ডি রবার্টস-মাইকেল হোল্ডিং।…

ট্রলের শ্লেষে নি:শেষ স্বপ্নভরা চোখ

ময়নাগ্রামের ধান ঝাড়া এক যুবক চোখভরা স্বপ্ন নিয়ে পা রেখেছিল কলকাতায়। আশ্রয়হীন কলকাতায় অতুল দেব বর্মণের বাড়িতে পড়ে থেকে স্বপ্ন দেখত নীল জার্সির। কিন্তু স্বপ্নেও ভাবেনি এই ভূভারত তাঁর ছেঁড়া বুটজোড়া ফিরিয়ে দেবে ‘ডিন্ডা অ্যাকাডেমি অব বোলারস’…