Browsing Category

হোম অব ক্রিকেট

কলার উঁচিয়ে তেড়েফুঁড়ে আসা সেই স্পর্ধা

মাশরাফিকে সংবাদ সম্মেলনে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, এটাই কি অধিনায়ক মাশরাফির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল? মুচকি হেসে অধিনায়ক জবাব দিয়েছিলেন – ‘ছেলে মেয়ে দুটোকে গড়ে তোলার চেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ আমার জীবনে আর কিছুই নেই।’

নর্দাম্পটন থেকে হারারে: অপেক্ষা শেষে স্বস্তি

জুন, ১৯৯৯ থেকে ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত কঠিন একটা সময়। এসময় বেশ কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের জন্ম দিয়েছিল ‘টাইগার’রা। যার মধ্যে ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টানা সবথেকে বেশি হার, টেস্ট ম্যাচে টানা হার, ওয়ানডেতে টানা হার…

ইনজুরি ও পরিচর্যাহীনতার অভিশাপ

২০১৪ সালের পর ঘরোয়া ক্রিকেটে আর খেলতে দেখা যায়নি বাংলাদেশের এই গতিতারকাকে। এখন নিজের ব্যবসা-বানিজ্য করেন। বয়স মোটে ৩৩ কী ৩৪ – এখনো তার তরুণদের সাথে জুটি বেঁধে বল করার কথা। তিনি এখন ‘বুড়ো’দের সাথে মাস্টার্স ক্রিকেট লিগ খেলেন, বিপিএল আর ঢাকা…

অপূর্ণতার নীরব হাহাকার

প্রতি ম্যাচে তিনি যখন ড্রেসিংরুম থেকে ব্যাট হাতে মাঠে প্রবেশ করতেন তখন গ্যালারিতে সমর্থকদের মধ্যে এক অন্যরকম আনন্দ উচ্ছ্বাস বয়ে যেত। ‘আফতাব… আফতাব’ কলরবে মুখরিত হয়ে যেত পুরো স্টেডিয়ামের গ্যালারি যা পুলকিত করত খোদ আফতাবকেই। সমর্থকদের এরূপ…

দ্য পকেট ডায়নামো

বিকেএসপির ক্ষুদ্রকায় শারীরিক গড়নের মমিমুল এখন বড় হয়েছেন। বঙ্গ ক্রিকেট আর তুমি মাঠে ফিরলে আবার একটা ‘মিমি স্টাইলে’ মিনি বিস্ফোরণ করে দিয়ো। তোমার ক্ল্যাসি ব্যাটিং দেখার তৃপ্তি থেকে কতদিন বঞ্চিত হয়ে আছি আমরা!

সবচেয়ে প্রতিভাবান খান

নাফিস ইকবাল তাই এখনকার অনেকের কাছে পরিচিত তামিমের বড় ভাই হিসেবে। অথচ সম্ভাবনাময় ক্রিকেট ক্যারিয়ারটা যদি আরো দীর্ঘয়িত করতে পারতেন নাফিস তাহলে আজ হয়ত তামিম ইকবালকেই অনেকে চিনতেন নাফিস ইকবালের ছোট ভাই হিসেবে।

নব্বই দশক ও পাক-ভারত লড়াই: একটি বাংলাদেশি দৃষ্টিকোণ

খেলাধুলার জন্য সমর্থনটি মূলত আবাহনী-মোহামেডান প্রতিদ্বন্দ্বিতার পংক্তিতে বিভক্ত ছিল, যা সত্তরের দশকের মাঝামাঝি থেকে ফুটবলে শুরু হয়, আশির দশকের শেষেরদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং নব্বইয়ের দশকে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মাধ্যমে ক্রিকেটেও শুরু হয়। তবে যে…

শতকের রুদ্ধদ্বার খুলেছিলেন তিনি

২০১৪ সালে তিনি আবারো মাঠে নেমে পড়েন। এবার মোহামেডানের হয়ে একটা ম্যাচ খেলেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে। সেই ম্যাচে তিন রান করার পর আর প্রতিযোগীতামূলক ক্রিকেট খেলেননি তিনি।

বাংলাদেশকে পেস বোলিং অলরাউন্ডারের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তিনি

অভিজ্ঞ এই অভিজ্ঞ কোচ – ‘মাল্টি স্কিলড ক্রিকেটার’। মানে হল সব কাজের কাজি। পরিচয় মূলত বোলার, কিন্তু প্রয়োজনে লোয়ার অর্ডারে চাহিদামাফিক বাড়তি কিছু রান এনে দিতে পারেন – এমন ক্রিকেটারদের প্রাধান্য দিতেন হোয়াটমোর।

ময়না পাখির গান

আর ২০০৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দলটাও মোটামুটি গুছিয়ে উঠেছে। তার মধ্যে নির্বাচক প্রধান ফারুক আহমেদ গছালেন আরেক স্পিনার অলরাউন্ডার। হারারের বিমানে ওঠার আগে বাশারকে মনে করিয়েও দিলেন ওই রোগাপাতলা বছর উনিশের ছেলেটার দিকে খেয়াল রাখতে, সে নাকি আবার…