ভিনিসিয়াস ‘দ্য বেস্ট’ জুনিয়র

গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনা করে আয়োজকরা বেছে নিয়েছেন আদর্শ প্রার্থী। এক্ষেত্রে ভিনিসিয়াসের নাম শোনা না গেলেই বরং অবাক হতে হতো। রিয়াল মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং লা লিগা জেতানোর পিছনে মহাগুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে তাঁর। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৪ গোল করেছিলেন তিনি। 

ব্যালন ডি’অর জিতবেন এমনটা ধরেই নিয়েছিলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। কিন্তু অদৃষ্টের পরিহাসে হলো না সেটা, রদ্রির হাতে উঠলো ব্যালন। ফিফা দ্য বেস্ট পুরষ্কার ঘোষণার আগে তাই দুই পক্ষে ছিল টান টান উত্তেজনা – একদিকে ব্যালনের মালিক রদ্রি, অন্যদিকে ফ্যান ফেবারিট ভিনি।

শেষ পর্যন্ত অবশ্য সাম্বা বয়ের হাতেই উঠেছে সেরার স্বীকৃতি। ২০০৭ সালের পর এই প্রথম কোন ব্রাজিলিয়ান এমন মর্যাদা পেলেন। যদিও এটা অবাক করার মতন কিছু নয়, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি যেভাবে পারফর্ম করে চলছেন তাতে এসব অর্জন সময়ের ব্যাপার ছিল।

কাতারের দোহায় জমকালো এক অনুষ্ঠানে ঘোষণা করা হয় নামগুলো, ভিনিসিয়াস ছাড়াও পুরষ্কার উঠেছে নারী ফুটবলার আইতানা বোনমাতির হাতে। এই নিয়ে পরপর দু’বার নারী ফুটবলে ‘ফিফা দ্য বেস্ট’ হলেন তিনি। এছাড়া সেরা বর্ষসেরা গোলরক্ষক হয়েছেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ এবং কোচ হয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি।

গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনা করে আয়োজকরা বেছে নিয়েছেন আদর্শ প্রার্থী। এক্ষেত্রে ভিনিসিয়াসের নাম শোনা না গেলেই বরং অবাক হতে হতো। রিয়াল মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং লা লিগা জেতানোর পিছনে মহাগুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে তাঁর। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৪ গোল করেছিলেন তিনি।

তবে গোল, অ্যাসিস্টের সংখ্যা কপচানোর দরকার পড়বে না; স্মৃতির পাতা ঘাঁটলেই দেখা যায় পুরো মৌসুম জুড়ে একের পর এক ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়ার মত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন এই লেফট উইঙ্গার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল করেছেন তিনি, আবার বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছেন; সুপার কাপে বার্সেলোনার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছেন – স্মরণীয় দিনের আসলে কমতি নেই।

এই তারকার ব্যালন ডি’অর না জেতা আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল পুরো ফুটবল বিশ্বে। ফিফা দ্য বেস্টে অন্তত সেরকম কিছু হয়নি, যোগ্য হিসেবেই জিতেছেন তিনি ৷ এটা তাঁর চলার পথে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে নিশ্চয়ই, ব্যক্তিগতভাবে প্রথম মেজর এচিভমেন্ট বটে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link