পাকিস্তান, আইসিসি ইভেন্টের সবচেয়ে বাজে আয়োজক!

২০০২ সালের পর থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে হয়, যেখানে প্রতিটি দল কমপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলে। ওই সময় থেকে এতো বছরে কখনও কোনো আয়োজক দেশ গ্রুপ পর্ব শেষ না করেই বিদায় নেয়নি, তার উপর কোনো ম্যাচ না জিতে বিদায় নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।

রাওয়ালপিন্ডি কাঁপানোর কথা ছিল ব্যাটে-বলে, কিন্তু কাঁপাচ্ছে কেবল মেঘের গর্জন! দক্ষিণ আফ্রিকা আর অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ম্যাচ আগেই বাতিল হয়ে গেছে। এরপর বাতিল হল বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচ। ফলে, প্রশ্ন উঠছে আয়োজক পাকিস্তানকে ঘিরে। বাজে আউটফিল্ড ও আবহাওয়া – টুর্নামেন্ট জুড়ে বারবার পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ হয়ে ‍উঠেছে। সাথে স্বাগতিকদের বাজে পারফরম্যান্স তো আছেই।

তারা ইতিহাসের প্রথম আয়োজক দেশ, যারা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি! বৃষ্টির কারণে শেষ ম্যাচটা বাতিল হওয়ায় চার দলের গ্রুপ লড়াইয়ে পাকিস্তান ক্লাসের লাস্ট বয় হিসেবে শেষ করেছে।

এই আসরের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, প্রথম দুটি সংস্করণ ছিল নকআউট ভিত্তিক। ১৯৯৮ সালে দেশের মাটিতে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ। ২০০০ সালে কেনিয়া একমাত্র আয়োজক দেশ, যারা নিজেদের প্রথম ম্যাচ হেরে সরাসরি বিদায় নিয়েছিল। সেটাই এখন পর্যন্ত কোনো আয়োজক দেশের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স।

কিন্তু, ২০০২ সালের পর থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে হয়, যেখানে প্রতিটি দল কমপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলে। ওই সময় থেকে এতো বছরে কখনও কোনো আয়োজক দেশ গ্রুপ পর্ব শেষ না করেই বিদায় নেয়নি, তার উপর কোনো ম্যাচ না জিতে বিদায় নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।

আয়োজক হিসেবেও পাকিস্তানের অবস্থান সুবিধাজনক নয়। উইকেট ও আউটফিল্ড নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। বিশেষ করে করাচির আউট ফিল্ড ছিল ধূলায় ভরা। মাঠের পারফরম্যান্সে ব্যর্থতার সাথে সাথে সাংগঠনিক দক্ষতাও হারাচ্ছে পাকিস্তান। এত দিন এর একটা আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করে মাথায়ই হাত দিতে হল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি)।

Share via
Copy link