গোটা তিন কি চারটা লাইফ পেয়েছিলেন তিনি। যতই সময় গড়াচ্ছিল ততই ভারতের মাথা ব্যাথার কারণ হচ্ছিলেন ট্রাভিস হেড। ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিলেন। প্রশ্ন উঠছিল আবারও কি ভারতের বুকে ছুড়ি বসাবেন হেড? আরেকটা আইসিসি ইভেন্টের স্বপ্ন গিলে খাবেন?
মন্থরগতিতে শুরু করা ইনিংসের প্রথম ১৩ বলে রান নিলেন মাত্র ১ টি। এরপর থেকে শুরু হয় ট্রাভিস হেডের বদলে যাওয়ার পালা। হার্দিকের দুই বলে ১০ রান দিলেন, একটি ছক্কা – একটি চার। এর পরের ওভারে শামিকে হাঁকালেন তিন বাউন্ডারি। অথচ, ম্যাচের প্রথম বৈধ বলেই শামি নিয়ে ফেলতে পারতেন হেডের ক্যাচ। হাফ চান্স ছিল যদিও, তবে ফলো থ্রুতে এই জাতীয় ক্যাচ নিতে পারলে ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায়।

সেই দফায় ভারতের ভাগ্য বদলাতে পারেননি শামি। এরপর একবার ইনসাইড এজ স্ট্যাম্প মিস করে। বল এজ হলেও ক্যারি হয়নি কিপার পর্যন্ত। হাফ ক্যাচ উঠেছে। কিন্তু, কোনো কিছুতেই রক্ষা পাচ্ছিল না ভারত, পারছিল না ট্রাভিস হেডের সাথে। একের পর এক চার-ছক্কা হাকিয়ে যাচ্ছেন।
তখনই স্পিন আক্রমণ নিয়ে আসলেন রোহিত শর্মা। যথারীতি বরুণ চক্রবর্তী। সিঙ্গেল নিয়ে ট্রাভিস হেডকে স্ট্রাইক দিলেন স্টিভেন স্মিথ। ডাউন দ্য উইকেটে গেলেন হেড, লক্ষ্য আরেকটা ছক্কা। কিন্তু, লং অফে তো অপেক্ষায় ছিলেন শুভমান গিল। এবার আর কোনো ভুল করল না ভারত। ৩৩ বলে ৩৯ রান করে দিয়ে ফিরে যান হেড। ভারতের মাথা ব্যাথার মুশকিল আসান করে দেন বরুণ চক্রবর্তী।











