ভারতের ব্যাটিং ব্যুহ — শিরোপার এক ধাপ দূরে!

বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বা যে কোনো মেগা টুর্নামেন্ট—এখানে কেবল প্রতিভা নয়, দরকার নির্ভুল পরিকল্পনা আর নিখুঁত বাস্তবায়ন। ভারত সেটা করেই দেখাচ্ছে।

বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বা যে কোনো মেগা টুর্নামেন্ট—এখানে কেবল প্রতিভা নয়, দরকার নির্ভুল পরিকল্পনা আর নিখুঁত বাস্তবায়ন। ভারত সেটা করেই দেখাচ্ছে। স্কোয়াড গঠনের সময় তারা বেছে নিয়েছে এমন ব্যাটারদের, যারা দলের প্রয়োজন মিটিয়েছেন শূন্য ভুলে, শতভাগ নিষ্ঠায়। ফলাফল? শিরোপার এক ম্যাচ দূরত্ব!

  • কোহলি: চেজ মাস্টার চিরস্থায়ী

পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া বা যে কোনো দলই আসুক, বিরাট কোহলির জন্য কিছুই যায় আসে না। চাপ যত বড়ই হোক, তিনি ব্যাট হাতে জানিয়ে দেন— ‘ভয় কী, আমি তো আছি!’ রান তাড়া করার কৌশলে তিনি এতটাই নিখুঁত যে প্রতিবারই প্রতিপক্ষকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেন।

  • শ্রেয়াস আইয়ার: মিস্টার কনসিসটেন্ট

কন্ডিশন বদলায়, প্রতিপক্ষ বদলায়, ম্যাচের পরিস্থিতি বদলায়—কিন্তু শ্রেয়াস আইয়ারের ধারাবাহিকতা বদলায় না। নাম্বার ফোরে তার ব্যাটিং এতটাই সুনিপুণ যে তাকে নিয়ে কোনো সংশয় কাজ করে না। তিনিও আসেন, খেলেন, দলকে জয় এনে দেন—সবসময় একই ছন্দে।

  • অক্ষর প্যাটেল: মিডল অর্ডারের স্তম্ভ

ম্যাচের মাঝের ওভারগুলোয় ধস নামলে যার ওপর ভরসা রাখা যায়, তিনি অক্ষর প্যাটেল। দলের বিপর্যয় সামলে খেলা গুছিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব তার কাঁধেই পড়ে। তিনি সেটাই করেন, ঠান্ডা মাথায়, নিখুঁতভাবে।

  • লোকেশ রাহুল: নিখুঁত টিম ম্যান

রাহুল মানে নির্ভরতা। ওপেনিং, মিডল অর্ডার বা ফিনিশিং—যেখানে দরকার, সেখানেই তিনি। দল যদি বলে, “আমাদের এখন সেট ব্যাটার দরকার,” রাহুল থাকেন। দল যদি বলে, “হাত খুলে খেলতে হবে,” রাহুল সেটাও করেন। কোনো অভিযোগ ছাড়াই তিনি নিজেকে বদলে নেন দলের প্রয়োজনে।

  • হার্দিক পান্ডিয়া: বিস্ফোরণের নাম

হার্দিক পান্ডিয়া মানে হঠাৎই বাজ পড়ে যাওয়া। তিনি আগ্নেয়গিরির মতো বিস্ফোরক, আবার প্রয়োজন হলে ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলাতেও পারেন। কখনো ডট বলের চাপ, কখনো টানা ছক্কার ঝড়—যা দরকার, পান্ডিয়া তাই করেন। যেন ভারতীয় ক্রিকেটের মায়াপুরির দানব, যার লক্ষ্য একটাই—জয়!

Share via
Copy link