ব্যাঙ! স্ল্যাম! দ্যাটস মাইটি শচীন!

ব্যাঙ! স্ল্যাম! ওয়াও! এ যেন সেই হারিয়ে যাওয়া নব্বই দশক! এ যেন শারজাহ’র সেই ডেজার্ট স্টর্ম! শচীন টেন্ডুলকার ইজ স্টিল টু গুড! এক ঝলকে যেন ফেলে আসা দিনগুলো ফিরে এলো।

ব্যাঙ! স্ল্যাম! ওয়াও! এ যেন সেই হারিয়ে যাওয়া নব্বই দশক! এ যেন শারজাহ’র সেই ডেজার্ট স্টর্ম! শচীন টেন্ডুলকার ইজ স্টিল টু গুড! এক ঝলকে যেন ফেলে আসা দিনগুলো ফিরে এলো।

ষষ্ঠ ওভারে জেরোমে টেলরের চতুর্থ ডেলিভারিটা পেয়েই বিদ্যুত্‍গতিতে ব্যাট চালালেন — ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট চিরে বেরিয়ে গেল বল! যেন সময় থমকে গেল, যেন সেই স্বর্ণযুগের শচীনকেই আবার দেখা গেল! যেন, বইয়ের পাতা থেকে উঠে আসা কোনো রূপকথার রাজকুমার!

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৪৭ রানের জবাবে পাওয়ার প্লে-তে ভারতের আসে ৫৫ রান। বিনা উইকেটে। ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে শচীনের ব্যাট ছিল এতটাই চড়াও। শচীনের ঝড়ের গতির এই ইনিংসটা খুবই জরুরী ছিল ভারতীয় কিংবদন্তিদের। টিনো বেস্টের বোলিংয়ে অল-আউট হওয়ার আগে করেন ১৮ বলে ২৫ রান।

ভারতীয় ক্রিকেটের মূখ্য চরিত্র তিনি। ক্রিকেটের ঈশ্বর তিনি। তিনি কি করে আন্তর্জাতিক মাস্টার্স লিগের কেন্দ্রীয় চরিত্র না হয়ে থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে করেছেন ৬৪ আর ৪২। এরপর ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরুর এই ছোট্ট ঝড়। না শচীনের হাতে যখন, ব্যাট তখন সেই ব্যাটের রান ক্ষুধা কখনও মরে যাবে না।

ব্যাট হাতে নিলেই তিনি ঈশ্বর, অবিনশ্বর! অষ্টম ওভারে টেন্ডুলকার পুল করলেন, কিন্তু বিধি বাম! বল সোজা গিয়ে জমা পড়ল ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডারের হাতে। টিনো বেস্ট শিকার করলেন মহারাজের উইকেট!

এবং এভাবেই শেষ হলো শচীনের এই টুর্নামেন্ট। হয়তো ব্যাট হাতে আরও দীর্ঘ বিরতি আসবে, তবে তিনি ফিরবেন। আশার বাতি নিভে যাবে না! হয়তো খুব শিগগিরই কোনো না কোনো কারণে মাঠে ফিরবেন তিনি। শচীন বলে কথা! ক্রিকেট মাঠ ছেড়ে তিনি থাকেন কি করে!

Share via
Copy link