আবারও সেই রোহিত শর্মা, মুম্বাইয়ের আরো একটি জয়। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ যেন পাত্তাই পেল না রোহিতের ধারালো ব্যাটের সামনে। তাই তো তাদের খাতায় যোগ হলো আরেকটি পরাজয়।
টসে জিতে হার্দিক নেন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে হায়দ্রাবাদের ব্যাটিং লাইনআপ। হেনরিক ক্লাসেনের চেষ্টায় শেষপর্যন্ত সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৩। বল হাতে ট্রেন্ট বোল্টের শিকার হায়দ্রাবাদের চার ব্যাটসম্যান।
মুম্বাইয়ের সামনে লক্ষ্যটা ১৪৪। আগের ম্যাচেই চেনা ছন্দে ফিরেছেন রোহিত শর্মা। আজকের ম্যাচেও যেন কপি-পেস্ট করলেন আগের দিনের ইনিংসটাই। শুরতেই রোহিতসুলভ ব্যাটিং, দ্বিতীয় ওভারে রিকেলটন ফিরে গেলেও আগলে রেখেছিলেন একপ্রান্ত।

রোহিত ক্রিজে থাকলে বোলারদের করার থাকে না কিছুই। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের জয়টাকে পানির মতো সহজ করে দিয়েছে তার দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিং। ব্যাট হাতে খেলেন ৪৬ বলে ৭০ রানের ইনিংস। ইনিংসজুড়ে আটটি চার এবং তিনটি ছয়, স্ট্রাইকরেটটাও ১৫২.১৭।
রোহিত যখন আউট হন তখন জয়ের পাল্লাটা মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের দিকেই। তবে বাকি কাজটা শেষ করেন সূর্যকুমার। ১৯ বলে বিস্ফোরক ৪০ রানের ইনিংসে সাত উইকেটের বড় জয় পায় মুম্বাই।
মুম্বাইয়ের অপেক্ষাটা ছিল রোহিতের ফিরে আসার। চেন্নাই বিপক্ষে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন হয় আগের ম্যাচেই। ম্যাচ শেষে বলেছিলেন “সবাই জানতে চাইছে আমি কবে ফিরে আসবো, এখন বলতেই পারি আমি ফিরে এসেছি।”

হ্যাঁ, রোহিত শর্মা শেষপর্যন্ত ফিরেছেন তার চেনা রূপে। সাথে ফিরেছে মুম্বাইয়ের ভাগ্যটাও। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রোহিত-সূর্যদের ফিরে আসাটা স্বস্তি দিচ্ছে মুম্বাইকে। সেই সাথে তাদের প্রাইম বোলার বুমরাহ রয়েছেন। ট্রেন্ট বোল্টও দারুণ করছেন।
টানা তিন ম্যাচে জয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস এখন উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে। প্লে-অফের রেসে তাই তো ভালোভাবেই এগিয়ে হার্দিকের মুম্বাই। তাই তো প্রশ্নটা — সবার ফিরে আসার গল্পে প্লে-অফে নিজেদের রাখতে পারবে কি মুম্বাই ইন্ডিয়ানস?











