এর চেয়ে বড় ইমপ্যাক্ট আর হয় না। ইমপ্যাক্ট সাম হিসেবে নেমে সবচেয়ে বড় ইমপ্যাক্টটাই রাখলেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ওয়াঙখেড়ের উইকেট যখন রান প্রসবা – তখন স্রোতের বিপরীতে গিয়ে বোলিং করলেন। দলের জয় নিশ্চিত করলেন, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে প্লে-অফের পথে সচল রাখলেন।
আর ম্যাচ শেষে জাসপ্রিত বুমরাহর বোলিং ফিগারটা রীতিমত ঐতিহাসিক হয়ে উঠল। চার ওভার বোলিং করে মাত্র ২২ রান দিয়ে নেন চারটি উইকেট। দারুণ ছন্দে থাকা এইডেন মার্করামকে দিয়ে শুরু করেন উইকেটের মিছিল। লখনৌ সুপার জায়ান্টস যখন রান তাড়ার চাপটা সামলে নিয়ে এগোচ্ছিল তখন ফিরিয়ে দিলেন ডেভিড মিলারকে।

শেষটায় এসে বোল্ড করলেন আব্দুল সামাদ ও আবেশ খানকে। ট্রেডমার্ক বুমরাহ ম্যাজিক। আর সেই ম্যাজিকের পর মুম্বাইয়ের সাম্রাজ্য গর্জে উঠল। বড় জয় নিয়ে এখন আবারও ফেবারিটের তকমায় ফিরেছে মুম্বাই। এখানে বুমরাহর ধন্যবাদ পেতেই পারেন ট্রেন্ট বোল্ট। মিশেল মার্শ কিংবা আয়ুশ বাদোনির মত উইকেট পেয়েছেন, জুটি ভেঙে মুম্বাইকে ফিরিয়েছেন কক্ষপথে। কিংবা বলা যায় উইল জ্যাকসের কথাও। তিন বলের মধ্যে দুই উইকেট নিয়ে তিনি মোমেন্টাম এনে দিয়েছেন মুম্বাইকে।
মুম্বাইয়ের ইতিহাসের সেরা পেসার কে? লাসিথ মালিঙ্গা নাকি জাসপ্রিত বুমরাহ – সে নিয়ে এখন আলোচনা চলতেই পারে। মুম্বাইয়ের হয়ে মালিঙ্গার ১৭০ উইকেটের মাইলফলক যেন ছিল ছোঁয়ার অযোগ্য কোনো দূরের তারা। কিন্তু সময় তার নিজের নিয়মে নতুন নায়ক তৈরি করে। আর সেই নায়কের নাম — জসপ্রিত বুমরাহ। ১৪১ তম ইনিংসে এসে বুমরাহ ছাড়িয়ে যান মালিঙ্গাকে। শ্রেষ্ঠত্বেও সম্ভবত এখন তিনি মালিঙ্গার উপরেই আছেন।











