ভাগ্যের শিকলে আউট বিজয়

এনামুল হক বিজয় নিজেকে দূর্ভাগা ভাবতেই পারেন। আম্পায়ার্স কলের ফাঁদে পড়লেন, স্রেফ ভাগ্যের কাছে হারলেন। ফিরলেন ৩৯ রানে, টেস্টে এটাই তাঁর সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। বাংলাদেশ ১২১ রানে হারাল নিজেদেরে প্রথম উইকেট। ২০২২ সালের পর টেস্টে প্রথমবারের মত উদ্বোধনী জুটি থেকে আসল ১০০-এর ওপর রান।

এনামুল হক বিজয় নিজেকে দূর্ভাগা ভাবতেই পারেন। আম্পায়ার্স কলের ফাঁদে পড়লেন, স্রেফ ভাগ্যের কাছে হারলেন। ফিরলেন ৩৯ রানে, টেস্টে এটাই তাঁর সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। বাংলাদেশ ১২১ রানে হারাল নিজেদেরে প্রথম উইকেট। ২০২২ সালের পর টেস্টে প্রথমবারের মত উদ্বোধনী জুটি থেকে আসল ১০০-এর ওপর রান।

ওপেনিং জুটি ৩১ তম ওভার পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ৩২ তম ওভারে জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানির বল, এলবিডব্লুরয়ের আবেদন, আম্পায়ারের আঙুল তুললেন। এনামুল আউট। ধৈর্যের পুরস্কার পেলেন ফাস্ট বোলার মুজারাবানি। এনামুল রিভিউ নিয়েছিলেন।

অফ স্টাম্পের একটু বাইরে ব্যাক অফ লেন্থে পিচ করে ভেতরে ঢোকা বল। ভুল লাইনে ব্যাট চালিয়েছেন এনামুল। বল তার পেছনের পায়ে লেগেছে। আম্পায়ার্স কল। এনামুলকে মাঠ ছাড়তে হচ্ছে! তিন বছর পর টেস্ট দলে ফেরা এনামুল আউট হলেন ৩৯ রান করে।

আসলে বিষয়টা এতটাও সহজ নয়। বলটা অফ স্টাম্পের ওপর ব্যাক অব দ্য লেন্থ থেকে সামান্য ভেতরে ঢুকছিল। পিচ করার পর বলটা একটুখানি সোজা হয়ে যায়। এনামুল বিজয় ক্রিজে আটকে পড়ে যান, দোটানায় পড়ে বলের লাইনে খেলতে পারেননি, ব্যাট আর পায়ের মাঝে তৈরি হয় বিশাল ফাঁক। বল সোজা গিয়ে আঘাত করে তার পেছনের পায়ে।

প্রশ্ন ছিল কেবল — ইমপ্যাক্ট লাইনের ভেতর না বাইরে? আর বলটা কি খুব বেশি উঁচু হয়ে যাচ্ছিল? ব্যাটের কোনো ছোঁয়া ছিল না, সেটাও পরিষ্কার হয় টেলিভিশন রিপ্লে-তে। সব চোখ যায় বল ট্র্যাকিংয়ের দিকে। স্ক্রিনে ভেসে উঠল—ইমপ্যাক্ট ‘আম্পায়ার্স কল’, আর বল গিয়ে আঘাত করছে অফ স্টাম্পের ওপরে। বলের দুই-তৃতীয়াংশ স্ট্যাম্পের বাইরে। হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইলেন এনামুল।

মানে শুধু ভাগ্যকেই দুষতে পারেন বিজয়। আম্পায়ার ইলিংওয়ার্থের সিদ্ধান্ত আরও একবার সঠিক প্রমাণিত হল। অবশ্য, তিনি এটাকে আউট না দিলেও পারতেন। হতাশ এনামুলকে তাই ফিরে যেতেই হলো সাজঘরের পথ ধরে।

Share via
Copy link