বিরাট-রোহিতের ওয়ানডে ক্যারিয়ার অন্ধকারাচ্ছন্ন!

এবার ওয়ানডে ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কার মেঘ জমেছে। ভারতীয় ক্রিকেটে চলছে প্রজন্ম পরিবর্তনের সুর। কয়েকদিনের ব্যবধানে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন দুই মহাতারকা—রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। আর এর মধ্যে দিয়েই শেষ হয়েছে তাঁদের টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি অধ্যায়। তাদের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ব্যাপ্তিও আর বেশিদূর দেখছেন না কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার।

এবার ওয়ানডে ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কার মেঘ জমেছে। ভারতীয় ক্রিকেটে চলছে প্রজন্ম পরিবর্তনের সুর। কয়েকদিনের ব্যবধানে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন দুই মহাতারকা—রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। আর এর মধ্যে দিয়েই শেষ হয়েছে তাঁদের টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি অধ্যায়। তাদের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ব্যাপ্তিও আর বেশিদূর দেখছেন না কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার।

সাদা বলের ফরম্যাটে, বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে বিরাট-রোহিত সময়ের সেরা। পরিসংখ্যান কিংবা পারফরম্যান্স—সবকিছুই এগিয়ে বয়সেরও তুলনায়। তবে ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বয়সকে হার মানিয়ে পারফর্ম করতে পারবেন কি তাঁরা? এই নিয়ে জোর আলোচনা চলছে ভারতের ক্রিকেটপাড়ায়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, এই প্রশ্নকে আরও উসকে দিয়েছেন ভারতীয় কিংবদন্তি ব্যাটার সুনীল গাভাস্কার। তিনি বলেন, ‘রোহিত-কোহলি বড় পারফর্মার, তবে এখন নির্বাচকরা ২০২৭ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই ভাববেন। তারা খুঁজে দেখবেন, এই দুই ক্রিকেটার তখনও দলে যথেষ্ট অবদান রাখতে পারবেন কি না। যদি তারা মনে করেন, হ্যাঁ, এরা এখনো দলের জন্য মূল্যবান, তবে অবশ্যই দুজনকেই রাখা হবে।’

ভারতের ক্রিকেটে নতুনরা যেভাবে পারফর্ম করছেন, ২০২৭ সালে রোহিত-কোহলি তাঁদের সাথে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা থাকছেই।

তাই তো গাভাস্কার বাস্তবতাকে সামনে রেখে বলেন, ‘না, আমি মনে করি না তাঁরা ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলবেন। আমি একদম সৎভাবে বলছি। তবে কে জানে! যদি তারা আগামী বছরগুলিতে দুর্দান্ত ফর্মে ফিরে আসে, যদি একের পর এক সেঞ্চুরি করে, তবে ঈশ্বরও তাদের দল থেকে বাদ দিতে পারবেন না!’

রোহিত-কোহলির সাম্প্রতিক ফর্ম এখনো কথা বলছে তাঁদের পক্ষেই। শেষ হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও ছন্দে ছিলো তাঁদের ব্যাট। শেষ পাঁচ ওয়ানডে ম্যাচে কোহলি রান করেছেন ২১৮, ব্যাটিং গড় ৫৪.৫০। অন্যদিকে রোহিত শর্মার শেষ পাঁচ ওয়ানডে ম্যাচে রান রয়েছে ১৮০, গড় ৩৬। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুই ব্যাটার রেখেছিলেন বড় অবদান।

বড় মঞ্চে এই দুই জন বরাবরই প্রমাণ করে এসেছেন নিজেদের সক্ষমতা। ভারত দল বর্তমানে হাঁটছে তারুণ্যের খোঁজে। তাই তো পুরনোদের কদর কিছুটা কমে গেলেও, অভিজ্ঞতা কিংবা পরিসংখ্যানে এই দুই মহাতারকা আছেন সবার উপরেই।

তবে বয়সের ভারে নুইয়ে পড়ছে ক্যারিয়ার। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের এখনও দীর্ঘ পথ বাকি। এই দুই কিংবদন্তি নিজেদের সেরা সময়টা কি ধরে রাখতে পারবেন ততক্ষণ পর্যন্ত? নাকি নির্দয় উপেক্ষাতে বিদায় বলবেন শেষবেলা?

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link