দু’জনে এক সাথে জিতেছিলেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা। কিন্তু তবুও গৌতম গম্ভীরের গুডবুকে নেই শ্রেয়াস আইয়ার। প্রায় প্রতিটা ক্ষেত্রে তিনি শ্রেয়াসের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করছেন। এতে করে হুমকির মুখে পড়ে যাচ্ছে শ্রেয়াসের ক্রিকেটিং ক্যারিয়ার।
২০২৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্স হয়েছিল আইপিএল চ্যাম্পিয়ন। সেই দলের মেন্টর ছিলেন গৌতম গম্ভীর। আর শিরোপা জয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শ্রেয়াস আইয়ার। শিরোপা জয়ে সম্পর্কের উন্নতির হওয়ার চাইতে বরং আরও অবনতি হয়েছে। এমনকি বেশ কিছু সূত্র মতে শ্রেয়াসকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে চাননি গৌতম।
ভারত জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকার রীতিমত জোর করে দলে রেখেছিলেন শ্রেয়াসকে। সেই শ্রেয়াস আইয়ারই শেষ অবধি ভারতের শিরোপা জয়ের অন্যতম কাণ্ডারি হয়েছিলেন। ব্যাট হাতে টিম ইন্ডিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন তিনি। এছাড়াও সেই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকও শ্রেয়াস আইয়ার।

সেই টুর্নামেন্টের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে পারফরম করে যাচ্ছেন শ্রেয়াস আইয়ার। আইপিএলের মঞ্চেও উজ্জ্বল তিনি। নিজের নেতৃত্ব গুণে পাঞ্জাবকে বানিয়েছেন টেবিল টপার। তাও যেন গৌতমের মন গলেনি। শ্রেয়াসকে রাখা হয়নি ইংল্যান্ড সফরকারী দলে। এমনকি ভারত ‘এ’ দলের স্কোয়াডেও ঠাঁই হয়নি শ্রেয়াসের।
কিন্তু শ্রেয়াসের প্রতি কেন এত ক্ষোভ গৌতমের, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোন ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে একজন খেলোয়াড়ের প্রতি দলের হেডকোচের এমন বিরুপ আচরণ ক্যারিয়ার ধ্বংসের জন্যে যথেষ্ট।
গৌতম সে বিষয়টি নিশ্চয়ই আন্দাজ করতে পারেন। কিন্তু তবুও ব্যক্তিগত আক্রোশের জায়গা থেকে তিনি শ্রেয়াসকে বঞ্চিত করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ঠিক কি বার্তা দেয় এমন সব আচরণ?












