জশ ফর আরসিবি, ফ্রম অস্ট্রেলিয়া উইদ লাভ

এলেন, দেখলেন, পারফর্ম করলেন, দলের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিলেন। যেন নিত্য দিনকার ডিউটি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বোলিং আক্রমণের এক্স ফ্যাক্টর তিনি।

এলেন, দেখলেন, পারফর্ম করলেন, দলের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিলেন। যেন নিত্য দিনকার ডিউটি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বোলিং আক্রমণের এক্স ফ্যাক্টর তিনি।

জশ হ্যাজেলউড বোলিংয়ে যখনই আসেন, তখনই আরসিবির গড় বোলিং ইকোনোমি দুই করে কমে যায়। আর বোর্ডের এই চাপেই চন্ড্রিগড়ে গুড়ো গুড়ো হয়ে যায় পাঞ্জাব কিংসের স্বপ্ন।

কোয়ালিফায়ার ওয়ানের মাস্টারমাইন্ড এই অজি ফাস্ট বোলার। পাঞ্জাব কিংসের টপ অর্ডার তছনছ করেন তিনি। প্রথম দুই ওভারেই তুলে নেন দুই উইকেট, রান দেন ১৪ টি। দ্বিতীয় ওভারে একটা ছক্কা না হলে হ্যাজেলউড আরও বেশি ইকোনমিক থাকতেন।

স্বদেশী জশ ইংলিসের সাথে পাঞ্জাবের নেতা শ্রেয়াস আইয়ারকে ফিরিয়েছেন। তাঁর বোলিং আক্রমণের চাপে বাকি বোলাররাও যথেষ্ট উপকৃত হয়েছে। হ্যাজেলউডের বানানো ক্ষেত্রেই পাঞ্জাবকে দু:স্বপ্ন উপহার দেয় ইয়াশ দয়াল বা ভূবনেশ্বর কুমাররা।

চতুর্থ ওভার শুরু করার সাথে সাথেই পেয়ে গেলেন নিজের তৃতীয় শিকার। ব্যস, মাত্র ১০১ রানে অলআউট হয়ে গেল পাঞ্জাব কিংস!

শেষ কয়েকটা ম্যাচে ছিলেন না হ্যাজেলউড। অধীর আগ্রহে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল। অবশেষে অস্ট্রেলিয়ান এই দানব এলেন কোয়ালিফায়ারের ঠিক আগে। আর মাঠে নেমেই তিনি বুঝিয়ে দিলেন, কেন তাঁর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ব্যাঙ্গালুরু।

Share via
Copy link