বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল ২০২৭ ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে! অনেকের কাছে স্বপ্ন, অবিশ্বাস্য ব্যাপার কিংবা অবাস্তব হতে পারে। তবে মাঠের খেলা আর কাগজ-কলমের পরিসংখ্যানটা অন্তত সম্ভাবনাকে আরও প্রবল করে তুলছে।
ইতিমধ্যেই ইতিহাস গড়ে এশিয়ার ৫ম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নারী দল প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছে এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে। আর এর মাধ্যমেই মূলত অধরা স্বপ্ন উঁকি দিচ্ছে বাস্তবে ধরা দেওয়ার।
নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে মোট ১২টি দল অংশ নেবে। চারটি দল তিন গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। এখান থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়া খুব একটা কঠিন ব্যাপার নয়। বাংলাদেশ দল যে ধরনের ফুটবলটা খেলছে, তা সম্ভাবনাকে দ্বিগুণ করে তুলছে।

কোয়ার্টার ফাইনাল জিতে যে চারটি দল সেমিফাইনালে যাবে, তারা নিশ্চিত করে ফেলবে বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলার। অর্থাৎ যদি সেমিফাইনাল বাংলাদেশ খেলতে পারে তবে হিসাবের কিছুই আর বাকি থাকে না।
যদি এখানে ব্যর্থ হয়, তবুও আশা ফুরিয়ে যাচ্ছে না। কোয়ার্টার ফাইনালে পরাজিত চারটি দল আবারও নিজেদের মধ্যে খেলবে। আর এখানে জয়ী দল বিশ্বকাপের টিকিট পাবে। তাই তো সেমিফাইনাল না খেললেও বাংলাদেশের সুযোগ থাকছেই।
শেষমেষ যদি এখানেও বাংলাদেশ পরাজিত দুই দলের মধ্যে থাকে, তবুও শেষ একটা সুযোগ হাতছানি দেবে বাংলাদেশের সামনে। পরাজিত দুই দলের জন্য বরাদ্দ থাকবে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফের মঞ্চ। নিজেদের সেরাটা এখানে দিতে পারলে বাংলাদেশ নারী দল বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস তৈরি করার সুযোগটা পাবে।

সেই সাথে প্রতিযোগিতায় শীর্ষ ৮ দলের সামনে থাকছে ২০২৮ অলিম্পিকের সরাসরি টিকিট। অর্থাৎ কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে পারলেই অলিম্পিকের মঞ্চ খুলে যাবে নারী ফুটবল দলের সামনে।
একটা স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাদেশ দল। না, এই স্বপ্নটা নেহাত স্বপ্ন বলে উড়িয়ে দেওয়ার উপায় নেই। মাঠের খেলাটা যেভাবে দাপট দেখিয়ে খেলছে গোটা দল, যদি বিশ্বকাপ খেলে, তাহলে অবাক হওয়ার কিছুই না; বরং এমন পারফরম্যান্সের পরও বিশ্বকাপে না খেলা-টা বোধহয় বেশি অবাক করবে।











