কলকাতার নজরে ‘দ্য ওয়াল’ রাহুল দ্রাবিড়

সময় ঘুরে আবারও নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে রাহুল দ্রাবিড়ের জীবনে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের নজরে আছেন তিনি। মাঠে যেমন ভরসার নাম ছিলেন, কোচ হিসেবেও সেই স্থীরতা, ধৈর্য আর পরিকল্পনার ছাপ রেখেছেন রাহুল দ্রাবিড়। এবার সেই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগাতে চায় কেকেআর।

সময় ঘুরে আবারও নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে রাহুল দ্রাবিড়ের জীবনে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের নজরে আছেন তিনি। মাঠে যেমন ভরসার নাম ছিলেন, কোচ হিসেবেও সেই স্থীরতা, ধৈর্য আর পরিকল্পনার ছাপ রেখেছেন রাহুল দ্রাবিড়। এবার সেই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগাতে চায় কেকেআর।

চন্দ্রকান্ত পাণ্ডিতের পদত্যাগের পর কোচশূন্য নাইটরা চাইছে নতুন পথপ্রদর্শক। আর সেই তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে দ্রাবিড়ের নাম। জানা গেছে, নাইটদের সিইও ভেঙ্কি মাইসোর ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) শেষে মুম্বাই ফিরলেই শুরু হবে দ্রাবিড়কে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া। তিনবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা লম্বা সময়ের জন্য চায় দ্রাবিড়কে। কিন্তু প্রশ্ন হল — দ্রাবিড় কি এত দ্রুত আবার নতুন চ্যালেঞ্জে নামতে রাজি হবেন?

ভারতের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়ার মূল কারণ ছিল পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে চাওয়া। রাজস্থান রয়্যালসে ফেরার পেছনেও ছিল পুরনো সম্পর্ক—ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনোজ বাদালের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ বোঝাপড়া। কিন্তু এক মৌসুম পরেই ইতি টানলেন সেই সম্পর্কের। ফ্র্যাঞ্চাইজির দেওয়া বিস্তৃত দায়িত্বও নিতে চাননি তিনি। শনিবার রাজস্থানের বিবৃতিতে নিশ্চিত হলো—দ্রাবিড় আর থাকছেন না।

ভেতরের খবর হল, এক শীর্ষ কর্মকর্তার জোরাজুরিতে রিয়ান পরাগকে অধিনায়ক করা হয়। কিন্তু, ফ্র্যাঞ্চাইজির একটা অংশ চাইছিল যশস্বী জয়সওয়ালকে। সেই অস্থিরতার মধ্যেই ভাঙন ধরেছিল ভেতরে ভেতরে। গত মৌসুমে নবম স্থানে শেষ করেছিল রাজস্থান। একের পর এক টাইট ম্যাচ হারিয়ে তারা ছিটকে যায়।

সাঞ্জু স্যামসনকে নিয়েও আছে অস্থিরতা। তিনি রাজস্থান রয়্যালস ছাড়তে চান। কিন্তু, গন্তব্য কোথায় সেটা এখনও নিশ্চিত নয়। তাঁকে নিয়ে দ্বিধায় আছে রাজস্থান শিবিরও। এমন পরিস্থিতিতে আর থাকতে চাননি দ্রাবিড়।

এবার কি নতুন ঠিকানা কলকাতা? কেকেআর তো প্রস্তুত। কেকেআরের জন্য প্রশ্নটা বড়—‘দ্য ওয়াল’ কি আদৌ নতুন চ্যালেঞ্জে নামবেন, নাকি আপাতত থেমে গিয়ে নিজের প্রিয় পরিবারকেই বেছে নেবেন? এই উত্তরই ঠিক করবে কলকাতার ভবিষ্যৎ।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link