ভাগ্য সহায় ছিল, প্রথম ওভারেই ফিরতে পারতেন। হাফ সেঞ্চুরির আগেই দু’দুবার জীবন পেয়েছিলেন সেদিকুল্লাহ অটল। কিন্তু প্রতিপক্ষ সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলে, বরং সেদিকুল্লাহ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেই হয়ে ওঠেন অটল। ব্যাট হাতে সেই অটলতা আফগানিস্তানকে এনে দেয় দৃঢ় ভরসা।
১৭তম এশিয়া কাপের প্রথম অর্ধশতক আসে তাঁর ব্যাট থেকেই। শুধু হাফ সেঞ্চুরিতেই থামেননি, ইনিংসটাকে বড় করেছেন। শেষ দিকে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ঝড় যোগ হলে আফগানদের ইনিংস পায় জম্পেশ সমাপ্তি। অটলের ৫২ বলে ৭৩ রানের ইনিংসে ভর করে বোর্ডে ১৮৮ রান জমা করে আফগানিস্তান। শুরুতে একটু ধীরগতিতে ব্যাট করলেও রানের চাকা সচল রেখেছেন, পরে পাওয়ার হিটিংয়ে দলের ভরসা হয়েছেন।

দারুণ ফর্মেও আছেন দুর্দান্ত সেদিকুল্লাহ। শেষ চার ইনিংসে তিনটি অর্ধশতক তাঁর। এশিয়া কাপের টি-টোয়েন্টি আসরে প্রথম ম্যাচেই অর্ধশতকের কীর্তি গড়া আফগানিস্তানের তৃতীয় ব্যাটার তিনি। এর আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন করিম সাদিক ও নূর আলী জাদরান।
এশিয়া কাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই এমন দাপুটে ইনিংসে শুধু দলের ভরসাই বাড়াননি সেদিকুল্লাহ, বাড়িয়ে দিয়েছেন টুর্নামেন্টে আফগানিস্তানের সম্ভাবনার পাল্লাও। হংকংয়ের বিপক্ষে কেবল জয় নয়, রান রেট বাড়িয়ে নেওয়ারও ব্যাপার আছে আফগানদের।

এশিয়া কাপের এই গ্রুপটাই গ্রুপ অব ডেথ। পরের ম্যাচগুলোতে আফগানদের খেলতে হবে শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে। সেই লক্ষ্যে ইনিংসের শুরু থেকে একদম শেষ পর্যন্ত থাকলেন অটল। অ্যাঙ্কর রোলে আফগানরা পৌঁছে গেল নিজেদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে।










