সংযুক্ত আরব আমিরাত সহজেই কুপোকাত করলো ওমানকে। ৪২ রানে হারিয়ে আসরের প্রথম জয় তুলে নিল মোহাম্মদ ওয়াসিমের দল। সেই সঙ্গে টিকে থাকলো সুপার ফোরের সম্ভাবনাটাও।
দুই দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচ বাজে ভাবে হেরেছে। তাই তো জয়ের বিকল্প ছিল না এই ম্যাচে। শুরুতেই টসে জিতে ওমান অধিনায়ক যতিন্দর সিং বেছে নেন ফিল্ডিং। সেটা হয়তো একপ্রকার সাপে বর হলো আমিরাতের জন্য।
ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে আসা দুই ব্যাটারের সূচনাটাও হলো মনের মতো। কোনো উইকেট না হারিয়েই পাওয়ার-প্লেতে জমা পড়লো ৫০ রান। মোহাম্মদ ওয়াসিম আর আলিসান শারাফুর এই জুটি টিকলো ৮৮ রান পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত ৫১ রান করে রামানন্দির শিকার হয়ে শারাফুর ইনিংস থামে।

তবে একপ্রান্তে উইকেট আগলে রাখেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। টি-টোয়েন্টিতে এই ম্যাচ দিয়েই ছুঁয়ে ফেলেন তিন হাজার রানের মাইলফলক। ক্রিজে থাকলেন একেবারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। ইনিংসের তিন বল বাকি থাকতে অবশ্য রান আউটে কাটা পড়ে ফেরেন, করেন ৬৯ রান।
মাঝের সময়টাতে মোহাম্মদ জোহাইবের ২১ এবং শেষদিকে হার্ষির কৌশিকের ১৯ রানে ভর করে আমিরাতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৭২ রানের। ওমানের পক্ষে বল হাতে বলার মত পারফরম্যান্স করেন রামানন্দি, চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট।
ওমানের পক্ষে এই রান চেজ করে জেতাটা খুব যে সহজ হবে না তা বোঝা গেল শুরুতেই। নামের পাশে দুই রান যোগ করতে ফিরে যান আমির কালিম। এরপর থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা।

পাওয়ার প্লে শেষে সংগ্রহ করতে দাঁড়ায় চার উইকেট হারিয়ে ৪১ রান। এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি। আরিয়ান বিস্ত এবং ভিনায়েক শুকলারা কিছুটা চেষ্টা করলেও তা কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে। বল হাতে জুনায়েদ সিদ্দিকি একাই নেন চার উইকেট। হায়দার আলী আর মোহাম্মদ জাওয়াদুল্লাহর জোড়া শিকারে শেষমেষ ১৩০ এই থামে ওমানের ইনিংস। ৪২ রানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
এশিয়া কাপের প্রথম জয় পেল মোহাম্মদ ওয়াসিমের দল। কাগজে-কলমে সুপার ফোরের লড়াইয়েও টিকে থাকলো তারা। শেষ ম্যাচটা পাকিস্তানের বিপক্ষে। এই ম্যাচটা নিশ্চয় আত্মবিশ্বাসের রসদ জোগাবে তাদের জন্য।











