বাংলাদেশ খাবি খেলেও ঝড় তুলল হংকং

ইদানিং এশিয়া কাপে বাংলাদেশের কোনো সম্ভাবনা না দেখায় শূলে চড়ানো হচ্ছে রবিচন্দ্রন অশ্বিন বা শোয়েব আখতারকে। বাংলাদেশের মাঠের পারফরম্যান্সের যখন এই হাল, তখন আদৌ কি তাঁদের কথাকে ভুল প্রমাণ করার কোনো উপায় আছে?

প্রথম ম্যাচের কপি পেস্ট করেই আক্রমণ সাজাল শ্রীলঙ্কা। সেই ‍দুশমন্থ চামিরা আর নুয়ান থুসারাই বোলিং করলেন। প্রথম দুই ওভারে সেখানে হংকংয়ের মত দল রান করল ১৮। বাংলাদেশ দিয়েছিল দু’টো মেইডেন উইকেট। ম্যাচটা কার্যত সেখানেই শেষ।

পার্থক্য এটুকুই যে, বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওভারে বোলিং করেন থুসারা, হংকংয়ের বিপক্ষে প্রথম ওভার করেন চামিরা। কিন্তু, বোলার দু’জন একই। ঠিক একই পরিকল্পনা নিয়েই হংকংয়ের বিপক্ষে বোলিং শুরু করে শ্রীলঙ্কা। সেই পরিকল্পনায় বাংলাদেশ খাবি খেলেও দিব্যি রান তুলে ফেলেছে পুঁচকে হংকং।

হংকংয়ের বিপক্ষে ‘ডুপ্লিকেট’ কাউকে মাঠে নামায়নি শ্রীলঙ্কা। কিন্তু, ফলাফল দুই রকম। এখানেই শেষ নয়, তৃতীয় ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ছিল দুই উইকেটে চার রান। আর হংকংয়ের বিনা উইকেটে ৩১ রান।

তাহলে সমস্যা কোথায়? পার্থক্য কোথায়? পার্থক্য হল বাংলাদেশের ব্যাটারদের মাইন্ড সেটে, বাংলাদেশ নিজেদের দুর্বলতার সুযোগ দিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। আর হংকং নিজেদের দুর্বলতা আর শক্তিমত্তা বুঝে খেলেছে। এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই ক’দিন আগে ৪০ দিনের সিরিজ খেলে এসেছে বাংলাদেশ, সেই বিরাট লঙ্কা ভ্রমণের কোনো ফায়দা আদৌ হয়নি।

এই সময়ে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় সমালোচক বলা যায় আকাশ চোপড়াকে। কিংবা ইদানিং এশিয়া কাপে বাংলাদেশের কোনো সম্ভাবনা না দেখায় শূলে চড়ানো হচ্ছে রবিচন্দ্রন অশ্বিন বা শোয়েব আখতারকে। বাংলাদেশের মাঠের পারফরম্যান্সের যখন এই হাল, তখন আদৌ কি তাঁদের কথাকে ভুল প্রমাণ করার কোনো উপায় আছে?

Share via
Copy link