ভূমিকা বদলে শাহীন এখন পুরোদস্তুর অলরাউন্ডার!

বল নয় রীতিমতো ব্যাট হাতে দলের ভরসার নাম এখন শাহীন শাহ আফ্রিদি। আরব আমিরাতের বিপক্ষে হলেন ব্যাটিং অর্ডারের কাণ্ডারি। খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা দলকে টেনে তুললেন, বিধ্বংসী ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে এনে দিলেন লড়াকু এক পুঁজি।

বল নয় রীতিমতো ব্যাট হাতে দলের ভরসার নাম এখন শাহীন শাহ আফ্রিদি। আরব আমিরাতের বিপক্ষে হলেন ব্যাটিং অর্ডারের কাণ্ডারি। খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা দলকে টেনে তুললেন, বিধ্বংসী ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে এনে দিলেন লড়াকু এক পুঁজি।

সাম্প্রতিক সময়ে বল হাতে সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না শাহীনের। দলের বোলিং আক্রমণের নেতা হয়েও বল হাতে বলার মতো কিছুই করতে পারছেন না। তাই সমালোচনার তিরে বিদ্ধ হতে হচ্ছে বারংবার।

তাই তো উত্তরণের পথটা নিজেই বের করলেন শাহীন। দলের বিপর্যয়ে ব্যাটকে নিজের আগ্নেয়াস্ত্র বানিয়ে শাসন করলেন আমিরাতের বোলারদের। ১৪ বল খেলে আদায় করলেন ২৯ রান। দুই ছয় আর তিন চারের সাহায্যে স্ট্রাইক রেটটা ২০৭-এর উপরে। আর তাতেই পাকিস্তান যেন হাফ ছেড়ে বাঁচল।

সুপার ফোরে যেতে হলে জিততেই হবে। এমন নিরেট সত্যের সামনে দাঁড়িয়ে শুরতেই অসহায় হয়ে পড়ে পাকিস্তান। দলের দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে গেলে বিপর্যয়ের চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায় দল। ফখর জামান এবং সালমান আলী চেষ্টা চালালেও আমিরাতের বোলিংয়ের সামনে টিকতে পারেননি। মিডল অর্ডার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়লে ম্যাচ তখন আমিরাতের নাগালে।

আর তখনই সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন তিনি। অন্যদের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে মেতে ওঠেন তাণ্ডব লীলায়। মুহূর্তেই ঘুরে যায় ম্যাচের মোমেন্টাম। একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল ১৩০ রান ছোঁয়া কষ্ট হবে পাকিস্তানের, সেই রান শেষ পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায় ১৪৬-এ। আর তাতেই পাকিস্তানের সম্ভাবনা আবারও প্রাণের দেখা পায়।

এর আগে ভারতের বিপক্ষেও একই কাজ করেছিলেন তিনি। শেষদিকে নেমে ১৬ বলে ৩৩ করে বাঁচিয়েছিলেন দলের মান। ভারতের ভয়ঙ্কর বোলিং আক্রমণের মোকাবিলা করেছিলেন চোখে চোখ রেখে।

বলের পাশাপাশি শাহীন নিজের ব্যাটিংটাকে যেন শান দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত, দলের হয়ে একটা কিছুতে তো ভূমিকা রাখতেই হয়, আজকের ইনিংস দিয়ে সেই বার্তাটা বোধহয় দিলেন তিনি।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link