বোলিংয়ে ধার, ফিল্ডিংয়ে চমক – রিশাদ হোসেন মানেই ইমপ্যাক্ট। আর পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি ইমপ্যাক্ট রাখলেন বোলিং আক্রমণে আসার আগেই। প্রথম দু’টো ক্যাচ তিনিই ধরেন। আর বোলিংয়ে আক্রমণে আসা মাত্রই তিনি ইমপ্যাক্টফুল। পাকিস্তানের বিপক্ষে যখন যেখানে সুযোগ পেয়েছেন নিজেকে দিয়েছেন উজার করে।
সপ্তম ওভারে আক্রমণে এসেই তিনি ফিরিয়ে দেন ফখর জামানকে। উইকেটে টিকে গেলে ফখর কি করতে পারেন, সেটা কে না জানে। সেখান থেকে শুরু। পরের ওভারেই ফিরিয়ে দেন হুসেইন তালাতকে। পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডারকে ধুকতে বাধ্য করেন রিশাদ হোসেন নামের এক্স ফ্যাক্টর।
তবে, রিশাদ হোসেনের সবচেয়ে ঘটনাবহুল ওভার ছিল তাঁর তৃতীয়টি। ১২ তম ওভারে কাভারে শাহীন শাহ আফ্রিদির ক্যাচ ফেলেন নুরুল হাসান সোহান। বাঁজপাখি সুলভ ঝাপ দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

এরপর গুগলিতে আবারও লফটেড শট খেলতে গিয়ে বিপদ ডেকে এনেছিলেন শাহীন। কিন্তু, এবার ক্যাচ ফেলে দেন শেখ মেহেদী হাসান। মাঝে একটা টাইট এলবিডব্লিউ আম্পায়ার্স কলে বিরুদ্ধে যায় বাংলাদেশের।
সেখানে দিব্যি আরও একটা উইকেট পেয়ে গেলে রিশাদ হোসেনের বোলিং ফিগারটা আরও জম্পেশ হত। প্রথম তিন ওভার শেষে রিশাদ রান হজম করেন মাত্র ১০ টি। শেষ ওভারে আট রান দিয়ে ১৮ রানে দুই উইকেট নিয়ে বোলিং শেষ করেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে অতিরিক্ত রান হজম করে ফেলতে পারেন, এই ভয়ে বোলিংয়ের কোটা পূরণ করা হয়না রিশাদের। এমনকি ভারতের বিপক্ষে দারুণ বোলিং করেও শেষ ওভারটা করা হয়নি তাঁর। তবে, এবার পুরো চার ওভারই করলেন। পাকিস্তান পুরো সময়টাতেই বারবার হোচট খেল রিশাদের সামনে।











