৯৯২ উইকেট নিয়ে রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট শুরু করেছিলেন সাইমন হার্মার। প্রথম ইনিংসে দুই উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি নিলেন ছয় উইকেট। ব্যস, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক হাজার উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন এই অফস্পিনার।
আর হার্মারের এই ঘূর্ণি জাদুর দিনে পাকিস্তান ঘরের মাটিতে আরও একবার পড়ল মুখ থুবড়ে। স্পিনিং কন্ডিশনও পাকিস্তানের বিপদ আটকাতে পারল না। ফলাফল, ২০০৭ সালের পর পাকিস্তানের মাটিতে কোনো টেস্ট ম্যাচ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা, জয়ের ব্যবধান আট উইকেটের।

তৃতীয় দিনে পাকিস্তানের বিপদ বাড়িয়ে দিয়েছিল দক্ষিন আফ্রিকার একাদশতম ব্যাটার ক্যাগিসো রাবাদার ৭১ রানের ইনিংস। শেষ উইকেট জুটিতে ৯৮ রান যোগ করে দক্ষিণ আফ্রিকা, যেটাই মূলত জয়ের ভীত গড়ে দিয়েছিল।
সেখান থেকে বাকি কাজটা করেন প্রোটিয়া বোলাররা। চতুর্থ দিন সকালে পাকিস্তানকে মাত্র ১৩৮ রানে অলআউট করে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা যেতে পারে সাইমন হার্মারের প্রতি, যিনি এই ইনিংসে নিয়েছেন ছয় উইকেট। তাঁর বিপক্ষে কোনো জবাবই যেন ছিল না পাকিস্তানের ব্যাটারদের। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার পথ সহজ করে দিয়েছেন।

মাত্র ৬৮ রানের লক্ষ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা রীতিমত ওয়ানডের স্টাইলে ব্যাট চালায়। মাত্র ১৩ তম ওভারে গিয়ে জয় নিশ্চিত হয়। পাকিস্তানের ম্যাচে একমাত্র প্রাপ্তি বাবর আজমের হাফ সেঞ্চুরি। তিনি এই ধারাবাহিকতা সিরিজের বাকি সময় ধরে রাখতে পারেন কি না – এখন সেটাই দেখার বিষয়।










