হিটম্যান রোহিত শর্মা ইজ ব্যাক ইন বিজনেস। অ্যাডাম জাম্পার ফ্লাইটেড ডেলিভারিতে ড্রাইভ করলেন লং অফে। উদযাপনটা শান্ত ও সংযত। তবে স্বস্তির নিশ্বাসটা টের হাওয়া গেল ভাল ভাবেই। আকাশের দিকে তাঁকিয়ে বুকভরে নিশ্বাস নিলেন, যেন অনেক অজানা প্রশ্নের জবাবও দেওয়া হয়ে গেল তাতে।
আগের ম্যাচে ছন্দে ফেরার আভাস দিয়েছিলেন। ভারতের জয় আনতে পারেননি। এবার রোহিত শর্মা ফিরে আসলেন পুরো দমে, পুরনো রুপে। যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই শুরু করলেন। ব্যস, ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজের ৩৩ তম সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘দ্য হিটম্যান’। এবার তাহলে বলাই যায়, রোহিত শর্মাকে শেষ বলে দেওয়ার সময় আদৌ আসেনি।

ইনিংসটা একেবারে পুরনো দিনের রোহিত—নিখুঁত, মার্জিত, ক্লাসিক। পাশে এসে কোহলি হাত রাখলেন তাঁর কাঁধে, দু’জনের মুখে সেই চেনা হাসি—দীর্ঘদিনের সঙ্গীর সাফল্যে একসাথে আনন্দ। ১০৫ বলে পৌঁছে যান তিন অংকের ম্যাজিকাল ফিগারে। সেঞ্চুরি করেই তিনি থামেননি। অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন।
১২৫ বলে ১২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। কোহলি সাথে দ্বিতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৬৮ রানের জুটি গড়েন। তিন ছক্কা আর ১৩ চারের সৌজন্যে পাওয়া অনন্য ইনিংস আরও একটা লাইফ লাইন এনে দিল রোহিত শর্মার ক্যারিয়ারে।

সদ্য শেষ হওয়া ওয়ানডে সিরিজটা মনে রাখতে পারবে না ভারত। আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে সিরিজ হার। তবে, প্রত্যাবর্তনের ইনিংসটা নিশ্চয়ই মনে রাখবেন রোহিত শর্মা। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে তিনি আদৌ থাকবেন কি না – সেটা বলা যাচ্ছে না। তবে, যেভাবে রান করে যাচ্ছেন তাতে সহসাই তাঁকে বিদায় করে দেওয়া কঠিন হবে গৌতম গম্ভীর ও ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের।










