সহজ ম্যাচ কঠিন করেই পাকিস্তানের জয়!

মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং সালমান আলী আঘার জুটিটা পাকিস্তানের জন্য জয়ের রাস্তাটা সহজ করল বটে, তবে শেষটাতে ওই সহজ পথকে কঠিন করে নিল লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। শ্বাসরুদ্ধকর আবহ তৈরি করেই ম্যাচ জিতল স্বাগতিকরা।

মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং সালমান আলী আঘার জুটিটা পাকিস্তানের জন্য জয়ের রাস্তাটা সহজ করল বটে, তবে শেষটাতে ওই সহজ পথকে কঠিন করে নিল লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। শ্বাসরুদ্ধকর আবহ তৈরি করেই ম্যাচ জিতল স্বাগতিকরা।

ফয়সালাবাদে টসে জিতে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে। কুইন্টন ডি কক দলে ফিরেছেন অনেক আগেই, তবে স্বরূপে ফিরলেন এই ম্যাচে। তরুণ লুহান ড্রে পেটোরিয়াসকে সঙ্গে নিয়ে ওপেনিংয়েই তুললেন ৯৮ রান। দুজনের ব্যাটেই পেরিয়েছে পঞ্চাশের গণ্ডি।

এমন দারুণ শুরু করেও মাঝের সময়টাতে আবরার আহমেদ, নাসিম শাহদের বলে খেই হারিয়ে ফেলে প্রোটিয়া শিবির। শেষদিকে করবিন বশের ৪১ রানে ভর করে ২৬৩ রানের পুঁজি পায় আফ্রিকা।

বিপরীতে ফখর জামান আর সায়িম আয়ুবের ব্যাট দিল মোক্ষম জবাব। ওপেনিং জুটিতে স্কোরবোর্ডে রান এলো ৮৭। তবে এরপরই যেন চিরায়িত পাকিস্তানসুলভ ভুল। দুই ওপেনার ফিরে গেলেন, বাবর আজমও ব্যর্থ হলেন। ১০৫ রানে পৌঁছতেই টপ-অর্ডার সাজঘরে। আর তখনই যেন আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিভূত হলো পাকিস্তানের আকাশে।

তবে সেই মেঘ সরিয়ে আলো ফোটালেন  রিজওয়ান এবং সালমান। মিডল-অর্ডারে হাল ধরলেন দুজনে মিলে। পরিস্থিতি বুঝে, চাপ সামলে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটাই খেললেন, আর ওটাই শেষমেশ গড়ে দিল জয়ের ভীত। ১১১ বলে এলো ৯১ রানের মহাগুরুত্বপূর্ণ জুটি। ৫২ করে রিজওয়ান ফিরে গেলেন ঠিকই, তবে ম্যাচ তখন অনেকটাই পাকিস্তানের পক্ষে হেলে পড়েছে।

এরপর হোসাইন তালাতকে সঙ্গে নিয়ে সালমান আরও ৪৫ রান যোগ করলেন স্কোরবোর্ডে। নিজেও ফিফটির মাইলফলক স্পর্শ করলেন। জয়ের কাছে এসে যেন গা ছাড়া ভাব দেখা দিল পাকিস্তানের। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগালেন আফ্রিকার বোলাররা। পরপর উইকেট তুলে ম্যাচ জমিয়ে তুললেন। যদিও শেষটাতে জয়ের হাসি শাহীনের দলই হেসেছে। পাকিস্তান ম্যাচ জিতেছে দুই উইকেটের ব্যবধানে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link