চার হলে হয়ে যাক

প্রথম ওভারে কোনো রান তোলার আগেই আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি সাজঘরে ফিরে যান, হাসানের এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে। সেখান থেকে বাংলাদেশ আরও আক্রমণ করার অবস্থাতেই ছিল, কিন্তু টানা ক্যাচ মিসে সেই স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়।

‘তাইজুল ভাই ওইগুলা ধইরেন না। হাত দিয়েন না, চার হলে হয়ে ‍যাক।’ – অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত সম্ভবত মনের আক্ষেপ থেকেই কথাগুলো বললেন। কারণ, একটু আগে এই তাইজুল ইসলামই ক্যাচ মিস করেন মিড উইকেটে।

শুধু তাইজুল নন, চার থেকে ছয় ওভার পর্যন্ত – টানা তিন ওভারে তিনটা ক্যাচ মিস করে বাংলাদেশ। এখানে সবচেয়ে ভুক্তভোগী ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা। দু’বার তাঁর বলে ক্যাচ মিস করে বাংলাদেশ। প্রথমবার সেকেন্ড স্লিপে ক্যাচ মিস করেন সাদমান ইসলাম। দ্বিতীয় দফায় গালিতে ক্যাচ মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দু’বারই ব্যাটার ছিলেন পল স্টার্লিং।

মাঝে, মানে পঞ্চম ওভারে ক্যাড কারমাইকেলের ক্যাচ ফেলে দেন তাইজুল। বোলার ছিলেন হাসান মাহমুদ। সিলেটের সকালে দারুণ শুরুর পর টানা তিন ক্যাচ মিসে ব্যাকফুটে চলে যায় বাংলাদেশ দল। অধিনায়ক শান্তর হতাশা এখান থেকেই স্পষ্ট।

অবশ্য সকালটা ছবির মত সুন্দর ছিল বাংলাদেশের। প্রথম ওভারে কোনো রান তোলার আগেই আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি সাজঘরে ফিরে যান, হাসানের এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে। সেখান থেকে বাংলাদেশ আরও আক্রমণ করার অবস্থাতেই ছিল, কিন্তু টানা ক্যাচ মিসে সেই স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়।

Share via
Copy link