উড়ন্ত বাবরের অবিশ্বাস্য ক্যাচ!

অবিশ্বাস্য এক ক্যাচ, বাবর আজম কিছু সময়ের জন্য যেন বনে গিয়েছিলেন বাজপাখি। যেভাবে ডানদিকে ঝাপিয়ে এক হাতে সাদিরা সামারাবিক্রমার ক্যাচ তালুবন্দি করলেন তা চোখে লেগে থাকার মতো, ছবির ফ্রেমে বহুকাল বাঁধিয়ে রাখার মতো।

অবিশ্বাস্য এক ক্যাচ, বাবর আজম কিছু সময়ের জন্য যেন বনে গিয়েছিলেন বাজপাখি। যেভাবে ডানদিকে ঝাপিয়ে এক হাতে সাদিরা সামারাবিক্রমার ক্যাচ তালুবন্দি করলেন তা চোখে লেগে থাকার মতো, ছবির ফ্রেমে বহুকাল বাঁধিয়ে রাখার মতো।

চারিথ আসালাঙ্কাকে সঙ্গে নিয়ে সামারাবিক্রমা তখন পাকিস্তানকে বেশ চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল। হারিস রউফের তিন শিকারের পরও যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটা পাকিস্তানের পকেটে, তখনই এই জুটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, লঙ্কানদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করে তুলছে।

৫৭ রানের জুটি গড়ে উঠেছে তখন। সামারাবিক্রমা পরিস্থিতি বুঝে উঠেছেন পুরোপুরি। কেবল খেলাটা নিজেদের দিকে টেনে আনার প্রস্তুতি। তখনই রউফের হানা। অফ স্টাম্পের বাইরে করা লেন্থ বলটাকে পড়তে একটু ভুল করলেন সামারাবিক্রমা। এজ হয়ে তা বেরিয়ে যাচ্ছিল স্লিপ দিয়ে। তবে বাবরের শিকারি দৃষ্টির সামনে তা আটকে গেল। ঝাপিয়ে পড়ে এক হাতে লুফে নিলেন ক্যাচ।

সামারাবিক্রমার অসহায় তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না, ওমন ক্যাচের পর যে কিছু করারও থাকে না। শেষটাতে ছয় রানে জয় পেয়েছে পাকিস্তান, যার বড় কৃতিত্বটা যে বাবরেরও প্রাপ্য।

ব্যাট হাতে দলের জন্য কিছু করতে পারছেন না তিনি। এমনকি সাদামাটা একজন হয়েই কোনোরকম টিকে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। তবে একেবারে কিছু না করলেই যে নয়! বাবর বোধহয় ওত পেতে ছিলেন একটা সামান্য সুযোগের। পেয়েও গেলেন, আর কোনো ভুল না করেই ষোলকলা আদায় করে ছাড়লেন।

কিছু মুহূর্ত ম্যাচের রূপ বদলে দেয়, একটা সূক্ষ্ম ব্যবধান গড়ে দেয়। যেমনটা বাবরের এই অবিশ্বাস্য ক্যাচ। দিনশেষে শ্রীলঙ্কার সামনে থেকে জয় ছিনিয়ে আনতে এটাই যে রসদ জুগিয়েছে পেছন থেকে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link