আকবর আলী ইজ রেডি

লড়াইয়ে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত কিংবা সাব্বির রহমানের মত পুরনো সৈনিকরাও আছেন। এখানে এগিয়ে থাকবেন আকবর, কারণ তিনি তুলনামূলক তরুণ। তাঁর ওপর বিনিয়োগ করতে বিসিবির কার্পণ্য করা উচিৎ নয়।

জাতীয় দলের জন্য তৈরি হয়ে গেছেন আকবর আলী। চাইলে এবার তাঁকে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের মিডল অর্ডারের জন্য বিবেচনা করাই যায়। সর্বশেষ যে দু’টো ইনিংস খেলেছেন, সেখানেই নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন।

এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সে হংকংয়ের বিপক্ষে টানা পাঁচটা ছক্কা হাকিয়েছেন। ১৩ বলে ৪১ রান করেছেন। এর আগের ম্যাচে হংকং সিক্সেসে অনবদ্য এক হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন। সব মিলিয়ে সময় এখন আকবর আলীর পক্ষে।

এমনিতে, জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি সেট-আপে জায়গাও ফাঁকা আছে। পাঁচ কিংবা ছয় নম্বরে শামিম হোসেন পাটোয়ারি কিংবা জাকের আলীরা টানা ব্যর্থ হচ্ছেন। এই সময়ে আকবর আলীর একটা সুুযোগ প্রাপ্য। বাড়তি পাওয়া হচ্ছে তাঁর উইকেটরক্ষণের ক্ষমতা।

আরেকটা সুবিধা হল তিনি স্পিনটা বেশ ভাল খেলেন। মিডল ওভার গুলোতে এই জায়গায় স্পিন নির্ভর দলগুলোর বিপক্ষে ভুগে বাংলাদেশ। আকবর আলী চলে আসলে সেই ঘাটতিটাও পুষিয়ে দিতে পারবে বাংলাদেশ দল। কোয়ালিটি পেস আক্রমণের বিপক্ষে দূর্বলতা ছিল, সময়ের সাথে সাথে সেটাও কাটিয়ে উঠছেন।

গেল এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে ভাল ফর্মে ছিলেন। রংপুরের হয়ে শিরোপা জিতেছেন, আট ইনিংসে ২০৩ রান করেছেন প্রায় ১৫০ স্ট্রাইক রেট নিয়ে। আকবর আলীর নেতৃত্বগুণ নিয়ে কোনো সংশয় নেই। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ তো বটেই, ঘরোয়া ক্রিকেটেও যখন যেখানে অধিনায়কত্ব করেছেন, জিতেছেন। ফলে, তাঁকে ভবিষ্যতের বিনিয়োগ হিসেবেই জাতীয় দলে নিয়ে ফেলা যায়।

অবশ্য, এখানে তাঁকে লড়াই করতে হবে আরও দু’জনের সাথে। লড়াইয়ে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত কিংবা সাব্বির রহমানের মত পুরনো সৈনিকরাও আছেন। এখানে এগিয়ে থাকবেন আকবর, কারণ তিনি তুলনামূলক তরুণ। তাঁর ওপর বিনিয়োগ করতে বিসিবির কার্পণ্য করা উচিৎ নয়।

Share via
Copy link