হেমন্তের মিষ্টি একটা সকাল। মৃদু ঠাণ্ডা বাতাস। হালকা রোদ। এর মধ্যেই নেটে ব্যাট করতে নামলেন তিনি। লম্বা সময় থাকলেন। টেস্ট দলে নেই, তবে বাংলাদেশর সাদা বলের ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আছেন তিনি। সাইফ হাসানের জন্য তাই এরকম একটা সকালে অনুশীলনের মধ্যে থাকাটা খুবই জরুরী।
নেট বোলারদের সাথে নিয়ে লম্বা সময় ব্যাট করলেন। বড় বড় শট খেললেন। ডিফেন্স টেকনিক নিয়ে কাজ করলেন। ব্যালান্স, টাইমিং, প্লেসমেন্ট নিয়েও কাজ করলেন। জাতীয় দলের হয়ে সামনে বড় কোনো অ্যাসাইনমেন্ট নেই। তবে, দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিপিএল। এর আগে নিজেকে ঝালাই করে নেওয়া জরুরী। সাইফ হাসানকে দেখা যাবে ঢাকা ক্যাপিটালসের জার্সিতে।

রংপুর রাইডার্স থেকে ঢাকায় আসা সাইফ নিশ্চয়ই চাইবেন নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য নিজেকে উজার করে দিতে। আরেকটা লক্ষ্যও আছে। টি-টোয়েন্টিতে যেভাবে বাংলাদেশ দলের ‘বিগ থিঙ’ হয়ে উঠেছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সেভাবে ধারাবাহিক হতে পারেননি। সেই ঘাটতিটাও অবশ্যই দ্রুত পুষিয়ে নিতে চাইবেন সাইফ হাসান।
সাইফ হাসান বিবর্তন বাদের প্রতীক। তিনি পরিশ্রমী। টেস্ট ঘরানার ক্রিকেটার হয়েও তিনি নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন টি-টোয়েন্টিতে। এবার ওয়ানডেতেও সেই একই কাজটা করতে হবে তাঁকে। এই বদলে যাওয়ার রাস্তাটা তাঁর খুবই চেনা, খুবই আপন।











