কোহলির মাহাত্ম্য বুঝতে পারেনি ভারত!

ভারত বোধহয় বিরাট কোহলির অধিনায়কত্বের সময়কালকে কিছুটা নিচু চোখে দেখেছে। আর সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে পার্থক্যটা আসলে কোথায়। ২০১৪ থেকে ২০২১ সাত বছরে যেখানে ভারত ঘরের মাঠে মাত্র দুই টেস্ট হেরেছিল, সেই ভারতই কিনা ২০২২ থেকে ২০২৫ অর্থাৎ তিন বছরে হেরেছে ছয়টি টেস্ট। তুলনা টানলে বাংলাদেশও ঘরের মাঠে ২০২২-এর পর থেকে টেস্ট হেরেছে ছয়টি। এক্ষেত্রে লড়াইটা অন্তত সেয়ানে সেয়ানে।

ভারত বোধহয় বিরাট কোহলির অধিনায়কত্বের সময়কালকে কিছুটা নিচু চোখে দেখেছে। আর সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে পার্থক্যটা আসলে কোথায়। ২০১৪ থেকে ২০২১ সাত বছরে যেখানে ভারত ঘরের মাঠে মাত্র দুই টেস্ট হেরেছিল, সেই ভারতই কিনা ২০২২ থেকে ২০২৫ অর্থাৎ তিন বছরে হেরেছে ছয়টি টেস্ট। তুলনা টানলে বাংলাদেশও ঘরের মাঠে ২০২২-এর পর থেকে টেস্ট হেরেছে ছয়টি। এক্ষেত্রে লড়াইটা অন্তত সেয়ানে সেয়ানে।

বিরাট কোহলি যখন টেস্ট দলের দায়িত্ব হাতে নিলেন, গোটা দলকে বদলে দিলেন এক নিমিষেই। আগ্রাসন আর জয়ের ক্ষুধা ছিল পুরো ইউনিটের চোখে-মুখে। প্রতিপক্ষকে যেন একেবারে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলতে হবে, এটাই ছিল দলের মূল মন্ত্র।

আর তাতেই সফলতাও এসেছে। ঘরে–বাইরে কোহলির দল দাপট দেখিয়েছে সমান তালে। বিদেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো ছিল যার অন্যতম সাফল্য। সেই সঙ্গে ঘরের মাঠেও এই দলটা ছিল অপ্রতিরোধ্য। রক্ষণের প্রাচীর তুলে দাঁড়িয়ে থাকত প্রতিপক্ষের সামনে, আর যা ভেদ করাটা ছিল এক দুসাধ্য কাজ। সাত বছরে মাত্র দুই হার সেটারই জলজ্যান্ত প্রমাণ।

তবে কোহলি অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড খুলে রাখার পর থেকে যেন ভারতের সেই প্রাচীরে ফাটল ধরল। শত্রুপক্ষের জন্য সহজ হয়ে গেল পথ। এখন আর ভারত ঘরের মাঠে অপ্রতিরোধ্য কোনও নাম নয় টেস্ট ক্রিকেটে। চাইলেই এই দলটাকে হারানো যায়।

কোহলির দাপট, আগ্রাসন আর ধারাবাহিকতা ভারতের জন্য ছিল এক আশীর্বাদের মতো। প্রতিপক্ষের চোখে চোখ রেখে লড়াই করাটা ছিল যে দলটির অভ্যাস, তারাই এখন নাকানিচুবানি খায় হরহামেশাই। তাই তো ওই একটা কথাই ফিরে ফিরে আসে, ভারত বোধহয় বুঝতে পারেনি কোহলির মাহাত্ম্য।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link