স্রেফ ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানো- পাকিস্তানে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়েকে অন্তর্ভুক্ত করার পর এমন মন্তব্যই হয়ত ঘুরপাক খেয়েছে। কেননা শক্তিমত্তার বিচারে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার চাইতে তো পিছিয়েই রয়েছে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু না, স্রেফ অংশগ্রহণেই তৃপ্ত থাকেনি জিম্বাবুয়ে। বরং শ্রীলঙ্কাকে ধরাশায়ী করে তারা বরং জমিয়ে তুলেছে ত্রিদেশীয় সিরিজ।
স্বাগতিক পাকিস্তানের সাথে, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে এই তিন দেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনাল খেলবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা- তেমনটাই ছিল অনুমিত। যেহেতু খেলা আবার উপমহাদেশে। কিন্তু লঙ্কানদের রীতিমত হতবাক করে দিয়েছেন সিকান্দার রাজা ও তার দল। ৬৭ রানের বড় ব্যবধানে তারা হারিয়েছে লঙ্কানদের।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে। আট উইকেট হারিয়ে ১৬২ রান তোলে তারা নিজেদের স্কোরবোর্ডে। ওপেনার ব্রায়ান বেনেটের ৪৯ রান ও অধিনায়ক সিকান্দার রাজার ৪৭ রান যে সংগ্রহের মূল জ্বালানি। আজকাল টি-টোয়েন্টিতে ১৬২ রানকে লড়াকু সংগ্রহই বলা চলে। তাছাড়া জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা যে অতি আক্রমণাত্মক ছিলেন- তেমনটিও বলার উপায় নেই।
কিন্তু জিম্বাবুয়ে বল হাতে চমকে দিয়েছে সবাইকে। নিয়ন্ত্রিত বোলিং, নিয়মিত উইকেট তুলে নেওয়া, পুরো বোলিং ইউনিটের একতাবদ্ধ পারফরমেন্সের ঝলকে স্রেফ ৯৫ রানেই অলআউট শ্রীলঙ্কা। অথচ লঙ্কান শিবিরে মারকুটে ব্যাটারের অভাব নেই। পাথুম নিসাঙ্কা, কুশল মেন্ডিসরা তো একাই ম্যাচ জেতাতে পারেন। তাদেরকেও হেয়ালির জবাবটা রক্তচক্ষুর চাহনিতে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে।

শুধু তাই নয়, লঙ্কানদের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের এই ৬৭ রানের জয়, তাদেরকে এক ম্যাচ জয়ে ফাইনালেও তুলতে পারে। সেক্ষেত্রে অবশ্য পাকিস্তানের সবগুলো ম্যাচ জেতার একটা সমীকরণ থেকে যায়। তবে জিম্বাবুয়ে হয়ত কোন সমীকরণের মারপ্যাঁচে যেতে চাইবে না। তাদের জয়ের ক্ষুধা, নিজেদের তাচ্ছিল্যের জবাব দেওয়ার তাড়না নিশ্চয়ই আরও আগ্রাসী হওয়ার টনিক দেবে।











