আবারও সেই সাহসী সিদ্ধান্ত নিলেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। এবার অ্যাশেজের মঞ্চ। ব্রেন্ডন ডগেটের বল, জেমি স্মিথ আউট— কট বিহাইন্ড। সাফ জানিয়ে দিলেন টেলিভিশন আম্পায়ার সৈকত। সিদ্ধান্তের পরই স্মিথ হাঁটতে শুরু করেছিলেন, তারপর থামলেন, আবারও ধীরে ধীরে প্যাভিলিয়নের পথে রওনা দিলেন। ক্ষোভে ফেঁটে পড়ল বার্মি আর্মি।
শর্ট বল, লেগ–সাইডে, জেমি স্মিথ পুল করতে গেলেন, ব্যাটে বলে হল না, উইকেটের পেছনে ক্যাচ। অনফিল্ড আম্পায়ার নিতিন মেনন সায় দিলেন না, অস্ট্রেলিয়া তবে দেরি না করে রিভিউ নিল। আর সেই রিভিউ থেকেই শুরু হল বিতর্ক। সৈকত এর আগে বোর্ডার গাভাস্কার ট্রফিতেও এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এবার সেই স্মৃতিই ফিরিয়ে আনলেন।

হালকা একটা স্পাইক দেখা গেল। প্রশ্ন হল শব্দটা কি সত্যিই ব্যাট থেকে এসেছে? স্নিকোতে হালকা একটা স্পাইক ধরা পড়েছে ঠিকই, কিন্তু বল যখন ব্যাটের কাছে ছিল, তখন কি শব্দটি হয়েছিল? সাইড-অন রিপ্লেতে তেমন মনে হয় না। সৈকত পেছন দিকের জুম রিপ্লে খুঁজছেন। দেখা যাচ্ছে, শব্দটি এসেছে বল ব্যাট পেরিয়ে যাওয়ার পর — তাও মাত্র এক-দুই ফ্রেমের ব্যবধানে।
তবুও সৈকত সিদ্ধান্ত নিলেন—স্পাইক ব্যাট থেকেই। ফলে স্মিথকে ফিরে যেতেই হল সাজঘরে, আউট হওয়ার আগে করলেন ১৫ রান। কিন্তু সিদ্ধান্তটি কতটা সঠিক ছিল? সৈকত এখানে চোখের দেখার ওপর ভরসা করেছেন, কারণ বলের ডেভিয়েশনটা স্পষ্ট ছিল। অনেক ভাবে যাচাই করে তবেই আউটের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

মাঠের ইংলিশ সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া দেখলেই বোঝা যায়—তারা এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো ক্ষুব্ধ। নি:সন্দেহে এই বিতর্কের জল অনেকদূর গড়াবে।










