সাদা রুমালের ছোঁয়ায় বাঁচলেন লিটন

ডেলানির সেই অবিশ্বাস্য প্রচেষ্টার শেষ পরিণতি—লিটনের ব্যাট থেকে ছক্কা। ডাউন দ্য উইকেট থেকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে যেন ডেলানির দুর্ভাগ্য আরও বাড়িয়ে দেন লিটন।

ভাগ্য কতটা সহায় ছিল লিটন দাসের? সামান্য একটা রুমাল বাঁচিয়ে দিল তাঁর উইকেট। আর নেই রুমালটাই দুর্ভাগ্যের কাল হল গ্যারেথ ডেলানি। দারুণ এক ক্যাচ ধরলেও সেটা স্কোরবোর্ডে লেখা হল লিটনের ছক্কা নামে।

যা ঘটল, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য! ডিপ মিড–উইকেট বাউন্ডারির একদম কাছে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডার ডেলানি শুধু ডান হাত দিয়ে ক্যাচটা নিয়েছিলেন। পড়ে যাচ্ছিলেন—কিন্তু মাটিতে ধপ করে পড়ার আগমুহূর্তে তিনি হাত ঘুরিয়ে বলটা ছেড়ে দিলেন উপরে। নিচের পিঠটা গিয়ে পড়ল বাউন্ডারি লাইনের রোপে। সেই রোপে ভর করেই আবার উঠে দাঁড়ালেন তিনি।

আশ্চর্যের বিষয়—বল হাতে থাকার সময় শরীরের কোনো অংশই স্পর্শ করেনি বাউন্ডারি রোপকে। কিন্তু, যখন ক্যাচটা হাতে আসে, তখন ট্রাউজার থেকে ঝুলে থাকা সাদা রুমালটা স্পর্শ করেছিল বাউন্ডারি লাইনে। ব্যস, তাতেই বেঁচে গেলেন লিটন। সেই ক্ষুদ্র ছোঁয়ার কারণেই অসাধারণ সেই প্রচেষ্টাও হয়ে গেল বৃথা।

ডেলানির সেই অবিশ্বাস্য প্রচেষ্টার শেষ পরিণতি—লিটনের ব্যাট থেকে ছক্কা। পরের ওভারেই বোলিংয়ে আসলেন ডেলানি। ডাউন দ্য উইকেট থেকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে যেন ডেলানির দুর্ভাগ্য আরও বাড়িয়ে দেন লিটন।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link