ভারতের কপালে যখনই চিন্তার ভাঁজ, তখনই তো সব দুশ্চিন্তার মেঘ সরিয়ে আলো এনে দেন কুলদ্বীপ যাদব। ঘুর্নি জাদুতে নিমিষেই বদলে দিতে পারেন দৃশ্যপট। বাঁচা মরার ম্যাচে আরও একবার সেই বিশ্বাসের প্রমাণ রাখলেন তিনি।
ম্যাচের লাগাম তখন প্রোটিয়াদের হাতে। টেম্বা বাভুমার সাথে জমিয়ে তুলেছেন ম্যাথু ব্রিজকি। ২৮ ওভারে স্কোরবোর্ডে ১৬৮ রান, উইকেট পড়েছে মোটে দুটো। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটা যে একটু একটু করে হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। নিরুপায় সবাই, বল হাতে ২৯ তম ওভারের দায়িত্ব দেওয়া হলো কুলদ্বীপকে। অগত্যা ফিরে গেলেন ব্রিজকি, স্বস্তি মিলল ভারত ডেরায়।

উইকেটে তখন সেট হয়ে গেছেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, তিনি দাঁড়িয়ে গেলে কি হতে পারে তা সবারই জানা। তবে কুলদ্বীপের কাছে এসে আটকে যেতে হলো তাঁকে। ২৯ রান করে ফিরে গেলেন সাজঘরে। দুই বল পরেই কুলদ্বীপ তুলে নিলেন মার্কো ইয়ানসেনকে। ৩৯ তম ওভারেই সবকিছু চলে এলো ভারতের হাতে। তবে গল্পটা তখনও শেষ হয়নি।
আফ্রিকান টেল এন্ডার রিতীমতো দুর্বিষহ সময় উপহার দিয়েছেন তিনি। অনেকটা ছেলেখেলা করেছেন বলতে গেলে। শেষটাতে শিকার করেছেন করবিন বশকে। শুধু তাই নয়, নিজের কোটার শেষ ওভারটা মেইডেনও আদায় করে নিয়েছেন।

সবমিলিয়ে ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে কুলদ্বীপ নিয়েছেন চার উইকেট, খরচা করেছেন ৪১ রান। যখনই প্রোটিয়া ব্যাটাররা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছে তখনই কুলদ্বীপ ছেটে ফেলেছেন তাদের। সাথে আরও একবার প্রমাণ করেছেন, কেন তাঁর উপর এত আস্থা রাখে গোটা দল।











