এমন অভিষেক নিঃসন্দেহে ভুলে যেতে চাইবেন সাকিব আল হাসান। ৩৮ বছর বয়সে এসে আইএল টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়েছে বর্ষীয়ান এই অলরাউন্ডারের। কিন্তু ব্যাটে-বলে দিনটা তার কেটেছে বেজায় বাজে। লজ্জার ষোলকলা পূর্ণ হয়, তার রিটায়ার্ড আউট হওয়ার মধ্য দিয়ে।
এমআই এমিরেটসের সোশ্যাল মিডিয়া ঘাটলে মনে হতেই পারে, সাকিব দলটির প্রাণভোমরা। কিন্তু তিনি মূল পরিকল্পনার অংশই নয়। সে প্রমাণ মিলেছিল আগের ম্যাচেই। সাইডবেঞ্চে বসে ছিলেন সাকিব। এমনকি তাকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবেও বিবেচনা করেনি এমআই এমিরেটস টিম ম্যানেজমেন্ট।

কিন্তু পরের ম্যাচেই মূল একাদশে সুযোগ পেলেন সাকিব। ব্যাট হাতে লেট কাট ও লফটেড কাভার ড্রাইভে দারুন সূচনার আভাস দিচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু হুট করেই ড্রেসিং রুম থেকে এলো সিদ্ধান্ত। সাকিবকে ছেড়ে দিতে হবে বাইশ গজ। রিটায়ার্ড আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন সাকিব। তার জায়গায় বাইশ গজে এলেন অধিনায়ক কাইরন পোলার্ড।
তিনি সফল না হলেও, এমিরেটসের পরিকল্পনা সফল হয়। ১৬ ওভার শেষে দলীয় ১২৯ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন সাকিব। তখন তার ব্যক্তিগত রান ১২ বলে ১৬। এরপর ইনিংস শেষে এমিরেটসের স্কোরবোর্ডের শোভা পেয়েছে ১৮৫ রানের বেশ যুতসই সংগ্রহ। সাকিবকে আরেকটু সুযোগ দিতে এমিরেটস পারত কি-না, তা নিয়ে অবশ্য বিতর্কের অবকাশ থেকেই যায়।

তবে অলরাউন্ডার সাকিব, ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলে- সেদিনটা বরাবরই রাঙিয়ে দিয়েছেন বল হাতে। কিন্তু এদিন তাকে ছক্কা হাঁকিয়ে স্বাগতম জানান টম ক্যাডমোর। সেই ছক্কাসহ মোট তিনটি ছক্কা হজম করেন সাকিব। দুই ওভারে তিনি খরচ করেন ২৭ রান। প্রত্যাশার ধারেকাছেও যে ছিল না সাকিবের পারফরমেন্স- সেটা দিনের আলোর মতই পরিষ্কার। হুমকির মুখে পড়ে গেল একাদশে সাকিবের জায়গা।











