বছর খানিক আগে খানিকটা ইচ্ছে করেই নিষিদ্ধ তালিকায় নিজের নামটি তুলেছিলেন সাকিব হাসান। ভীষণ ক্লান্তি থেকেই ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে চাক বোলিং করেছিলেন সাকিব। সম্প্রতি এক পডকাস্টে সেই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন খোদ সাকিব আল হাসান।
ঘটনাটা গেল বছরের। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের অংশ ছিলেন সাকিব। সেই সিরিজ খেলেই তিনি উড়াল দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডে। সেখানকার কাউন্টি দল সারের বিপক্ষে ৬৯ ওভার বোলিং করতে হয়েছিল এক সময়ের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে। স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্তি ভর করেছিল তার শরীরে।

তবে দলের চাহিদা মেনে তাকে বোলিং করতে হয়েছে লম্বা সময় ধরে। তিনি তখন আর নিজের বোলিং অ্যাকশন ঠিক রাখতে পারেননি। ক্লান্তি থেকে চাক বোলিং করে বসেন। এ বিষয়ে সাকিব বলেন, ‘আমি খানিকটা ইচ্ছাকৃতভাবেই তা (চাক বোলিং) করেছিলাম। আমি মনে হয় ৭০ ওভারের মত বোলিং করেছিলাম। আমি কখনোই আমার ক্যারিয়ারে ৭০ ওভার করিনি।’
তবে সাকিব প্রত্যাশা করেছিলেন, আম্পায়াররা বোলিং অ্যাকশনের সন্দেহ রিপোর্ট করার আগে অন্তত সতর্ক করে দেবেন তাকে। কিন্তু আম্পায়াররা তা করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি টানা দু’টো টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলাম পাকিস্তানের বিপক্ষে। আমরা সেই সিরিজটি জিতেছিলাম, এরপরই আমি সেই চারদিনের ম্যাচ খেলতে গিয়েছিলাম। আমি মনে মনে ভাবছিলাম আম্পায়াররা আমাকে অন্তত সতর্ক করতে পারত।’

সেই সন্দেহের পর সাকিব তার বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়েছিলেন, কিন্তু উত্তীর্ণ হতে পারেননি। তারপর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সাকিবের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়। শেষ অবধি আর বোলিং অ্যাকশনের ঝামেলা সহ, নানা কারণে সাকিবের আর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলা হয়নি। মূলত সেখান থেকেই সাকিবের বাংলাদেশ অধ্যায় সংকীর্ণ হতে শুরু করে।











