পুরানের অদ্ভুত কাণ্ড নিয়ে চলছে কানাঘুষা!

ফিক্সিং নাকি কৌশল? আইএলটি-টোয়েন্টিতে নিকোলাস পুরানের অদ্ভুত কাণ্ডটা জন্ম দিয়েছে এই প্রশ্নের। এমনকি ডেজার্ট ভাইপার্স যখন এক রানের হৃদয়কাঁপানো জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল, তখনও গ্যালারির কানাঘুষা থামেনি।

ফিক্সিং নাকি কৌশল? আইএল টি-টোয়েন্টিতে নিকোলাস পুরানের অদ্ভুত কাণ্ডটা জন্ম দিয়েছে এই প্রশ্নের। এমনকি ডেজার্ট ভাইপার্স যখন এক রানের হৃদয়কাঁপানো জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল, তখনও গ্যালারির কানাঘুষা থামেনি। কারণ ম্যাচের ফল নয়, চর্চার কেন্দ্র ছিল প্রথম ইনিংসের ১৬তম ওভার। এমন ওভার হয়তো বছরেও দেখা যায় না, টানা দুই বলে ‘ডিক্লাইন্ড স্টাম্পিং’ আর ‘রিটায়ার্ড আউট’!

নিকোলাস পুরান, ম্যাক্স হোল্ডেন আর রশিদ খান মিলে যেন সাজিয়ে তুললেন ক্রিকেটের এক অদ্ভুত কিন্তু রোমাঞ্চকর অধ্যায়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ভাইপার্স তখন এক উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১১০ রান। রান আসছিল একেবারেই ধীরগতিতে। ডাগআউটে বসে হেটমায়ার যেন অপেক্ষা করছিলেন একটা উইকেট কখন যাবে।

এরপরই নাটকের শুরু। রশিদ খানের ওভারে স্ট্রাইকে আসেন হোল্ডেন। প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকাতে চাইলেন। ডাউন দ্য উইকেটে আসলেন ঠিকই তবে ব্যাটে বলে সংযোগটা ঠিকঠাক হলো না। এতটাই বেরিয়ে এসেছিলেন যে পপিং ক্রিজে ফেরার সময়টা তাঁর হাতে ছিল না। তবে নিকোলাস পুরান বল হাতে পেয়েও স্টাম্পিং করলেন না!

যেন মুহূর্তটাকে আটকে দিলেন তিনি। ধারাভাষ্য কক্ষে তখন বিস্ময়ের সুর, ‘ওহ! স্টাম্প করল না! সহজেই আউট করতে পারত!’ ঠিক পরের বলেই রশিদ খান বিষধর ডেলিভারি ছুড়ে দিলেন। আবারও বড় শটের ব্যর্থ প্রচেষ্টা। আর সেখানেই শুরু হয় দ্বিতীয় অধ্যায়, ম্যাক্স হোল্ডেনকে ‘রিটায়ার্ড আউট’ ঘোষণা।

তবে বিতর্কের শুরুটা নিকোলাসের ওই কাণ্ড নিয়ে। সুযোগ পেয়েও কেন আউট করলেন না? অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন, তবে কি ফিক্সিংয়ের ছায়া পড়ল! আবার কারও কাছে এটা এক কৌশলগত সিদ্ধান্ত। হোল্ডেনের ধীরগতির ব্যাটিংটাই যেখানে আসল কলকাঠি নেড়েছে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link