টেস্ট র‍্যাংকিং জুড়ে এখনো ফ্যাবুলাস ফোরের দাপট

২০২৫-এরও সমাপ্তিলগ্ন। বদলে গেছে কত কী! ২০১৪ সালে জন্ম নেওয়া একটি শিশু এতদিনে নিশ্চয়ই চতুর্থ কিংবা পঞ্চম শ্রেণিও পেরিয়ে যাচ্ছে। বদলায়নি সেই একটি জিনিস, আধুনিক ক্রিকেটের অতি বিস্ময়, দ্য ফ্যাবুলাস ফোর। আজ থেকে প্রায় ১১ বছর আগে নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি মার্টিন ক্রোর থেকে আসা সেই ধারণা যেন আজও চির অমলিন।

২০২৫-এরও সমাপ্তিলগ্ন। বদলে গেছে কত কী! ২০১৪ সালে জন্ম নেওয়া একটি শিশু এতদিনে নিশ্চয়ই চতুর্থ কিংবা পঞ্চম শ্রেণিও পেরিয়ে যাচ্ছে। বদলায়নি সেই একটি জিনিস, আধুনিক ক্রিকেটের অতি বিস্ময়, দ্য ফ্যাবুলাস ফোর। আজ থেকে প্রায় ১১ বছর আগে নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি মার্টিন ক্রোর থেকে আসা সেই ধারণা যেন আজও চির অমলিন। তারই তো এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি দেখতে পাওয়া যায় সদ্য প্রকাশিত টেস্ট র‍্যাংকিং-এর দিকে তাকালে, যেখানে প্রথম তিনটি নামই এখনও তাঁরাই।

বিরাট কোহলি, কেন উইলিয়ামসন, স্টিভেন স্মিথ এবং জো রুটকে একত্রে ট্যাগবন্দী করা হয় ‘ফ্যাব ফোর’ দিয়ে। পুরো ক্যারিয়ার জুড়েই ব্যাট হাতে বিশ্ব ক্রিকেটকে মাতিয়ে রেখেছেন সময়ের সেরা এই চারজন খেলোয়াড়।

আজও টেস্ট র‍্যাংকিংয়ের দিকে দৃষ্টিপাত করলে প্রথম তিনটি নাম যথাক্রমে, জো রুট, কেন উইলিয়ামসন এবং স্টিভেন স্মিথ। বাকি থাকা আরেকজন বিরাট কোহলি লাল বলের ক্রিকেটটা ছেড়ে দিয়েছেন।

সদ্য প্রকাশিত হওয়া আইসিসি মেন্স টেস্ট র‍্যাংকিং-এ ৮৯৮ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন জো রুট। পরের নাম টিই কেন উইলিয়ামসন। তাঁর নামের পাশে পয়েন্ট ৮২৭। মাত্র ৪ পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন স্টিভেন স্মিথ।

চলমান অ্যাশেজ দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্টিভ স্মিথ। সর্বশেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে স্বীয় ফর্মের জানান দিয়েছেন জো রুটও। কেন উইলিয়ামসন খেলছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ।

ক্যারিয়ার জুড়েই ফ্যাবুলাস ফোর যেন নিজেদের খেলা দিয়ে ক্রিকেটকে সুন্দর থেকে সুন্দরতম করেছেন। সবার বয়স এখন ত্রিশের ঘরের মাঝারি, তবুও ব্যাটের ধার যেন কমছে না। টেস্ট চালিয়ে যাওয়া তিনজনই এখনও রাজত্ব করছেন ফরম্যাটটায়। আর ওদিকে সর্বজয়ী কিং কোহলিও নিজের ফরম্যাটে সেরাটাই খেলছেন এখনও।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link