সময় তবে ফুরিয়েই গেছে সাকিব আল হাসানের। আইএল টি-টোয়েন্টিতে তিনি বিচরণ করছেন নিজের ছায়া হয়ে। হারিয়ে ফেলেছেন সেই ক্যারিশম্যাটিক সত্ত্বা। তিন ম্যাচ ধরে চলছে তার উইকেট অন্বেষণের যাত্রা। ব্যাট হাতে বাইশ গজে প্রবেশের ক্ষণ গুণতে গুণতেই যাচ্ছে তার সকল সময় কেটে।
আইএল টি-টোয়েন্টিতে এমআই এমিরেটসের জার্সিতে সাকিবের পারফরমেন্স শঙ্কা জাগিয়ে তুলেছে। এক সময়ের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার যে ভীষণ খাবি খাচ্ছেন। অধিকাংশ সময় তার কাটছে দলের ডাগআউটে বসে। মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদরা যে টুর্নামেন্টে আনন্দের উপলক্ষ খুঁজে পাচ্ছেন, সেই একই টুর্নামেন্টে বিবর্ণ দিন কাটছে সাকিব আল হাসানের।

তিন ম্যাচ খেলে এখনও উইকেট শূন্য সাকিব। আবু ধাবি নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচেও বল হাতে তিনি ছিলেন ভীষণ খরুচে। দুই ওভার তাকে দিয়ে বল করিয়েছেন এমিরেটসের অধিনায়ক কাইরন পোলার্ড। সেই দুই ওভারে সাকিব হজম করেছেন দুই খানা ছক্কা-সহ মোট ২০ রান। মোটে তিনটি বল তিনি ডট দিতে পেরেছেন।
এ যেন সাকিবের পুরোপুরি উল্টো চিত্র। ব্যাট হাতে এক ম্যাচে এসেছিলেন বাইশ গজে। রিটায়ার্ড আউটের লজ্জা নিয়ে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। আবু ধাবির বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সাজসজ্জা নিয়ে তিনি প্রস্তুত হয়ে বসে ছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতির চাহিদা মেটাতে গিয়ে ইনিংসের শেষ অবধি তিনি থেকেছেন অপেক্ষমান।

তবে কি স্রেফ নামের ভারেই এখন খেলে যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান? এমন প্রশ্ন তোলা মোটেও অবান্তর নয়। কেননা তিনি যে ক্রমশ হারিয়ে ফেলছেন বাকিদের আস্থা। তিনি এখন আর মোটেও নন কেন্দ্রীয় চরিত্র। স্রেফ এক বিকল্প হিসেবে তিনি হচ্ছেন বিবেচিত। সাকিব একসময় বলেছিলেন যে তিনি যখন প্যাসেঞ্জার হবেন, তখন তিনি ক্রিকেট খেলা ছেড়ে দেবেন। বর্তমানে তিনি এখনও রয়েছেন ড্রাইভিং সিটে- সে বক্তব্য দেওয়া তো ভীষণ মুশকিল। প্রশ্ন তাই এখন একটাই, কবে তুলে রাখছেন তিনি পরম যত্নের ব্যাট-প্যাড?











