চট্টগ্রাম রয়্যালসের দুর্দশা যেন পিছুই ছাড়ছে না। সমালোচিত কর্মকাণ্ডের নতুন সংযোজন, তিন বিদেশিদের ফ্রাঞ্চাইজিকে ‘না’ বলে দেওয়া। এবার দুশ্চিন্তায় গোটা চট্টগ্রাম শিবির। দলের মিডল অর্ডারের অভাব পূরণে বিদেশি খেলোয়াড়দের আনতে চেয়েছিল রয়্যালস ফ্রাঞ্চাইজি। উল্টো বিপদ বাড়িয়ে তিনজন খেলোয়াড় জানিয়েছেন তার অপ্রাপ্তির বিষয়টি।
প্রথম ইনজুরির কারণ দেখিয়ে আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং আসবেন না জানিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় নিরোশান ডিকওয়েলা চট্টগ্রামের জার্সিতে মাঠে নামবেন না বলে জানিয়েছেন। তার অবশ্য কারণ ভিন্ন। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলে ডাক এসেছে ডিকোয়েলার। লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড তাকে ছাড়পত্র দিতে নারাজ। সে কারণে ডিকওয়েলাকেও পাচ্ছে না চট্টগ্রাম রয়্যালস।

অন্যদিকে দলের বোলিং আক্রমণের বৈচিত্র্য সংযুক্ত করতে পারতেন পাকিস্তানি লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ। চট্টগ্রামের ব্যাটিং কোচ তুষার ইমরান জানিয়েছেন, আবরার আসতে টালবাহনা করছেন। এখনো তার সাথে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারেনি চট্টগ্রাম রয়্যালস। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জেগেছে, ম্যাচের আগে চারজন বিদেশি নিয়ে মাঠে নামতে পারবে তো চট্টগ্রাম?
যদিও দলটির মেন্টর ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। চারজন বিদেশি খেলোয়াড়কে সাথে নিয়ে তারা খেলবেন নিজেদের প্রথম ম্যাচ। কিন্তু পরিস্থিতি ভীষণ বেগতিক। দলটি প্রকাশ করেছিল, লঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা খেলবেন দলটির হয়ে। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াতে দেওয়া সেই পোস্টের পর আসালাঙ্কার এজেন্ট জানিয়েছেন এমন কোন চুক্তি হয়নি। অগ্যতা, সেই পোস্ট ডিলিট করতে হয়েছে রয়্যালসকে।

নিলাম থেকে প্রশ্নবিদ্ধ ক্রয়, বিতর্কিত ব্যক্তিদের ফ্রাঞ্চাইজিটির সাথে সম্পৃক্ততা, এবার বিদেশি খেলোয়াড় নিয়ে বিরুপ পরিস্থিতি- অপেশাদারিত্বের একের পর এক নিদর্শন সৃষ্টি করে যাচ্ছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। শেষ অবধি আরও কোন কলুষিত অধ্যায় যুক্ত হয় কি-না চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাথে- সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।











