অবশেষে সৌম্যর ব্যাটে রানের ধারা

অবশেষে তার ব্যাট থেকে আস্থার প্রতিদান রান হয়ে ঝড়ে পড়ল। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের দুর্দশার খরায় এ এক ঘন কাল মেঘের আনন্দ।

চিকি বাউন্ডারি, সৌম্য সরকার পেরিয়ে গেলেন অর্ধশত রানের মাইলফলক। অবশেষে তার ব্যাট থেকে আস্থার প্রতিদান রান হয়ে ঝড়ে পড়ল। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের দুর্দশার খরায় এ এক ঘন কাল মেঘের আনন্দ। সৌম্যও একটু হাঁফ ছেড়ে বাঁচল।

দ্বাদশ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে নোয়াখালীর পরিকল্পনার কেন্দ্রেই ছিলেন সৌম্য সরকার। কিন্তু টুর্নামেন্টের শুরু থেকে দলের সাথে ছিলেন না তিনি পারিবারিক কারণে। অন্যদিকে টানা পরাজয়ের গ্লানি টানতে টানতে ক্লান্ত নোয়াখালী শিবির। সৌম্য যুক্ত হয়েও দলের ভাগ্য বদলাতে পারেননি।

নোয়াখালীর জার্সিতে প্রথম দুই ম্যাচে চরম হতাশ করেছেন বা-হাতি এই ব্যাটার। সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে আউট হয়েছেন ছয় রানে, ঢাকা ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে করেছিলেন মাত্র এক রান। হতাশার চাদর সরিয়ে উজ্জ্বল আভায় আশার সঞ্চার ঘটালেন সৌম্য সরকার। রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে নোয়াখালীর পরাজয়ের খাতায় ছিল পাঁচটি হার।

টুর্নামেন্টের অর্ধেক পথ পাড়ি দেওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানো অবধারিত নোয়াখালীর জন্য। এমন ম্যাচেই সৌম্য সরকার সামনে এলেন ব্যাটিং অর্ডারের নেতৃত্ব দিতে। দিলেনও বটে দিনশেষে। ৪৩ বলে ৫৯ রানের একটা ইনিংস খেলে তিনি বিদায় নিয়েছেন। ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কার মার এসেছে তার ব্যাট থেকে।

তবুও ১৩৭ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটিতে সৌম্যকে মোটেও মনে হয়নি সাবলীল। উইকেটের স্লথ গতি বিপাকে ফেলেছিল তাকে। পুরোটা সময় জুড়েই অস্বস্তি নিয়ে ব্যাটিংটা করে গেছেন তিনি- তেমনটিই মনে হয়েছে তার শরীরি ভাষায়। উইকেটে গতি থাকলে সৌম্য সরকার ঠিক কতটা ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে জানেন, সেটা তো আর কারোই অজানা নয়।

তবুও সৌম্যর দায়িত্বশীল ইনিংসটি দলের জন্য লড়াই করবার ভীত তৈরিতে সহয়তা করেছিল। শেষের দিকের ব্যাটারদের ব্যর্থতা তাদেরকে বড় সংগ্রহ গড়ার পথে বাঁধে হয়ে দাঁড়িয়েছে। নোয়াখালীর জয়ের অন্বেষণে একটু হলেও সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পেরেছেন সৌম্য।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link