টানা ছয় ম্যাচে হারের লজ্জায় ডুবলো নোয়াখালী এক্সপ্রেস। আসরের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ গড়েও রাজশাহীর ওয়ারিয়র্সের কাছে হারতে হলো তাদের। তাই তো প্রশ্ন আসে, পরাজয়ের শেষ কোথায়?
এদিন আগে ব্যাট করতে নামা নোয়াখালী আসরে নিজেদের সবচেয়ে ভালো শুরুটা পেল। ওপেনিং জুটিতেই এলো ৫৭ রান। সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় সৌম্য সরকারের ব্যাটে দেখা দিল রান। খেললেন ৫৯ রানের দায়িত্বশীল এক নক। অবশ্য শাহাদাত হোসেন দিপুর কৃতিত্বটাও কম নয়। ৩০ রানের ইনিংসটাই যে গড়ে দিয়েছিল দলের ভিত।

মাঝের সময়টাতে মোহাম্মদ নবীর ব্যাটটাও জ্বলে উঠল। খেললেন ৩৫ রানের ইনিংস। আর তাতেই এবারের আসরে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোরের দেখা পেল তাঁরা। পাঁচ উইকেট হারিয়ে করলো ১৫১ রান।
একটা ক্ষীণ আশা ছিল নোয়াখালীর জন্য। প্রথম জয়ের দেখা পাবে কি তারা? এমন প্রশ্নের উত্তরটা রাজশাহীর ওয়ারিয়র্সের পক্ষ থেকে নেতিবাচকই আসলো। তানজিদ হাসান তামিমের সাথে মোহাম্মদ ওয়াসিম দারুণ শুরু এনে দিলেন। তামিম ফিরে গেলেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিলেন ওয়াসিম। ৬০ রানের ইনিংস খেলে কাজটা একেবারেই সহজ করে দেন তিনি।

শেষদিকে কিছুটা ধীরগতিতে ছুটছিল রাজশাহী। উইকেট হারিয়ে বসে বেশ কয়েকটি। তবে ম্যাচ তখনও তাদের পকেটেই। শেষমেষ চার উইকেট এবং এক ওভার হাতে রেখেই জিতে নেয় রাজশাহী।
Share via:











