সিলেটের ডেরায় স্বস্তি, ঢাকার সামনে কঠিন পথ!

দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ লড়াই, অনেকটা কোয়ার্টার ফাইনালের আবহ তৈরি হয়েছিল। যেখানে জয়ের পতাকা গাড়ল ঘরের দল সিলেট টাইটান্স। ছয় ম্যাচে চার হার সঙ্গী করে ঢাকা ক্যাপিটালসের সুপার ফোরের সম্ভাবনা যেন বিলীন হতে বসেছে।

দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ লড়াই, অনেকটা কোয়ার্টার ফাইনালের আবহ তৈরি হয়েছিল। যেখানে জয়ের পতাকা গাড়ল ঘরের দল সিলেট টাইটান্স। ছয় ম্যাচে চার হার সঙ্গী করে ঢাকা ক্যাপিটালসের সুপার ফোরের সম্ভাবনা যেন বিলীন হতে বসেছে।

এদিন ঢাকার আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে আসে সিলেট। পারভেজ হোসেন ইমনের হাত ধরে শুরুটা বেশ ভালোই করে তারা। মাঝের সময়টাতে আরিফুল ইসলাম সুযোগ পেয়ে কাজে লাগান। দীর্ঘদিন বেঞ্চে বসে থাকার অবসান ঘটান। ৩৮ রানের ইনিংসটা তাঁর জন্য স্বস্তির বার্তা হয়ে আসে। তবে নাসির হোসেনদের কৃপণ বোলিংয়ের সামনে রান তোলার গতি মন্থর হয়ে যায়। বড় লক্ষ্য দূরে সরে যেতে থাকে।

দৃশ্যপটে তখনই হাজির হন মইন আলী। মাত্র আট বলেই ম্যাচের চিত্র বদলে ফেলেন তিনি। তাঁর ৩৫০ স্ট্রাইক রেটে ২৮ রানের ইনিংসটাই শেষপর্যন্ত দলকে এনে দেয় ১৮০ রানের বড় সংগ্রহ।

ঢাকার জন্য এই রান চেজ করা একটু চ্যালেঞ্জিং বটে। তবে কাজটা সহজ হয়ে যায় ওপেনিং জুটির সাফল্যে। আবদুল্লাহ আল মামুন ২৪ রানে থামলেও গুরবাজের ব্যাট চলতে থাকে হিসাব কষে। শামীম পাটোয়ারি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বলি হয়ে ফিরলে আশঙ্কা জেগে ওঠে। তবে সাইফ হাসানের সঙ্গে গড়া জুটি ম্যাচটাকে ঢাকার দিকেই ঠেলে রেখেছিল।

এরপরই যেন এক দমকা হাওয়া এসে ঢাকার স্বপ্নকে উড়িয়ে নিয়ে যায়। মুহূর্তেই বেঁকে যায় ম্যাচের গতিপথ। সাইফ, গুরবাজরা ফিরে যান, মিঠুনও দলের বিপদ বাড়িয়ে দেন। কার্যত ম্যাচ থেকে তখনই ছিটকে যায় ঢাকা।

হিসাবটা সহজ ছিল, জিততে হবে, বিকল্প কিছু নেই। এর আগে সাত ম্যাচ খেলে সিলেটের পয়েন্ট ছিল মাত্র ছয়, পাঁচ ম্যাচে ঢাকার চার। সুপার ফোরে যাওয়ার সমীকরণ এদের মধ্যেই জমে উঠেছিল। এই জয়ে সিলেট তাই কিছুটা ঝুঁকিমুক্ত, আর ঢাকার সামনে পড়ে থাকল এক অনিশ্চয়তা।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link