এক ম্যাচে বড় রান না পেলেই যেন ‘বিরাট’ আলোচনার জন্ম হয়

এমআরএফ ব্যাটটা হাতে মাঠে নামবেন। কখনো দলকে জয়সূচক রান তুলে দিয়ে ফিরবেন, কখনো আবার জয়ের জন্য প্রতিপক্ষের ছুঁড়ে দেওয়া রান তাড়া করেই মাঠ ছাড়বেন। এটাই তো বিরাট কোহলি। নিজের স্ট্যান্ডার্ড ঠিক কতটা উচ্চতায় নিয়ে গেলে একজন ক্রিকেটারের মহত্ব মাপার প্যারামিটার ধরা হয় সেঞ্চুরি, হাফ সেঞ্চুরি কিংবা ম্যাচ জয়ী ইনিংসে। বিরাট বলেই বুঝি সম্ভব।

এমআরএফ ব্যাটটা হাতে মাঠে নামবেন। কখনো দলকে জয়সূচক রান তুলে দিয়ে ফিরবেন, কখনো আবার জয়ের জন্য প্রতিপক্ষের ছুঁড়ে দেওয়া রান তাড়া করেই মাঠ ছাড়বেন। এটাই তো বিরাট কোহলি। নিজের স্ট্যান্ডার্ড ঠিক কতটা উচ্চতায় নিয়ে গেলে একজন ক্রিকেটারের মহত্ব মাপার প্যারামিটার ধরা হয় সেঞ্চুরি, হাফ সেঞ্চুরি কিংবা ম্যাচ জয়ী ইনিংসে। বিরাট বলেই বুঝি সম্ভব।

৩১০টি ওয়ানডে ম্যাচে ২৯৮টি ইনিংস খেলেছেন বিরাট কোহলি। এর মধ্যে ৪৭ বার তিনি অপরাজিত থেকেছেন। মোট রান ১৪,৬৭৩, গড় ৫৮.৪৫। তাঁর নামের পাশে রয়েছে ৫৩টি শতক ও ৭৭টি অর্ধশতক।  ৪৭টি অপরাজিত ইনিংস বাদ দিলে, কোহলি আউট হয়েছেন মোট ২৫১ বার।

রাজকোটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচসহ ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২০ থেকে ২৯ রানের মধ্যে শেষ হওয়া ইনিংস রয়েছে মাত্র ২৭টি। এর মধ্যে দুইবার তিনি অপরাজিত ছিলেন। অর্থাৎ, ২০ এর ঘরে আউট হয়েছেন ঠিক ২৫ বার।

এই সংখ্যা যদি অনুপাতে দেখা হয়, তাহলে বিষয়টা আরও পরিষ্কার হবে। মোট আউট হওয়ার হিসেবে ২০ এর ঘরে থেমে যাওয়ার হার মাত্র প্রায় ১০ শতাংশ। আর মোট ইনিংসের বিচারে সেটি ৮.৩৮ শতাংশ। অন্য কথায়, কোহলির প্রতি দশটি ওয়ানডে ইনিংসের প্রায় নয়টিই ২০ এর ঘর পেরিয়ে যায়।

এ কারণেই কোহলির ২৩ রানও আলোচনার জন্ম দেয়। কারণ আধুনিক ক্রিকেটের সবচেয়ে উঁচু আসনে নিজেকে অধিষ্ঠিত করা এই নক্ষত্রের ব্যাট থামা যে খুবই বিরল ঘটনা।

গোটা একটা প্রজন্মকে আঠারো নাম্বার জার্সি গায়ে যিনি ব্যাট হাতে বলটাকে শাসন করতে শিখিয়েছেন, তিনিই তো তো বিরাট। ক্যারিয়ারে গোধুলিরলগ্নে এসেও দীপ্ত কিরণে ক্রিকেট বিশ্ব মাতাচ্ছেন দিল্লির সেই চিকু। আজও আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাংকিং এর দিকে দৃষ্টিপাত করলে সবার ওপরের নামটা মহারাজারই।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link