হেনিলের হাত ধরে ভারতের জয়!

বল করলেই উইকেট, হেনিল প্যাটেল এমনই এক দৃশ্যের মঞ্চায়ন ঘটালেন। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচেই জানান দিলেন, এখানে তিনি শাসন করতে এসেছেন। ফাইফার তুলে দলকে জেতানোর কাজটা ওই বার্তাকে আরও জ্বালাময়ী করে তুলল।

বল করলেই উইকেট, হেনিল প্যাটেল এমনই এক দৃশ্যের মঞ্চায়ন ঘটালেন। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচেই জানান দিলেন, এখানে তিনি শাসন করতে এসেছেন। ফাইফার তুলে দলকে জেতানোর কাজটা ওই বার্তাকে আরও জ্বালাময়ী করে তুলল।

মেঘলা আকাশ আর ভেজা উইকেট দেখে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরু থেকেই সেই সিদ্ধান্তের পূর্ণ সুফল দেন হেনিল প্যাটেল। নিজের প্রথম ওভারেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাটিং লাইনআপে আঘাত হানেন তিনি। অমরিন্দর গিলকে মাত্র ১ রানে স্লিপে ক্যাচ বানিয়ে শুরুটা করেন নিখুঁতভাবে। চাপে পড়ে যায় ইউএসএ।

এরপর থেকে তাঁর আগ্রাসন চলতে থাকে ব্যাটারদের বিপক্ষে। কখনো গতি, আবার কখনো লাইন-লেন্থ হিসাব করে টানা বোলিং করে যাওয়া, ইউএসএর ব্যাটারদের সামনে এক দুর্ভোগ হয়েই যেন আবির্ভাব ঘটে তাঁর।

ব্যাটারকে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া যাবে না, মূলমন্ত্র এটাই ছিল তাঁর। নামে-ভারে ভারত এগিয়ে ছিল ঠিকই, তবে হেনিলের কল্যাণে ইউএসএ এদিন মাথা তুলে দাঁড়ানোরই সুযোগ পায়নি। শুরু থেকে শেষ, সবখানেই যে রাজ করে গেছেন এই পেসার।

ফাইফার দেখা পেতে তাই সময় লাগেনি। মোটে সাত ওভার হাত ঘুরিয়েই, ১৬ রানের বিনিময়ে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। হেনিলের তোপের সামনে ইউএসএ গুটিয়ে যায় মাত্র ১০৭ রানে।

ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের সামনে এই রান খুব একটা কঠিন কিছু ছিল না। যদিও ২৫ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটার ফিরে যান সাজঘরে। তবে তাতে খুব একটা ক্ষতি হয়নি। অভিজ্ঞান কুণ্ডুর দৃঢ় ইনিংসে ছয় উইকেটের সহজ জয় পায় ভারত। তবে ম্যাচের গল্পটা তো লেখা হয়ে গেছে আগেই, হেনিল প্যাটেলের হাতে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link