অবশেষে ডেভিড মালান নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে সক্ষম হলেন। এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে নিজের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নিলেন স্বভাবজাত ভঙ্গিমায়। রংপুর রাইডার্সের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন ইংলিশ এই ব্যাটার। যদিও এদিন ইনিংসের শুরুতে বেজায় ধুকেছেন মালান।
ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে প্রথম বাউন্ডারির জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১১ বল। তাসকিন আহমেদের বলে চার হাঁকিয়ে নিজের ব্যাটিং গিয়ার পরিবর্তন করেন মালান। এরপর তরুণ পেসার মারুফ মৃধার আত্মবিশ্বাসকে চুরমার করে দেন তিনি টানা দু’টো ছক্কা ও একটি চার হাঁকিয়ে।

টপ অর্ডারে কার্যকর জুটির অভাবে পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই রংপুর রাইডার্সকে যেতে হয়েছে উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে। এদিন মালান সেই কার্যকর জুটি গড়ায় অগ্রণী ভূমিকা রাখলেন। তাওহীদ হৃদয়কে সাথে নিয়ে ১২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন ডেভিড মালান। যেই তাসকিনকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শুরু হয় মালানের আগ্রাসী ব্যাটিং, সেই তাসকিনের বলেই আউট হয়েছেন মালান এদিন।
তার আগে প্রায় ১৫৯ স্ট্রাইকরেটে ৭৮টি গুরুত্বপূর্ণ রান যুক্ত করে দেন রান রংপুরের স্কোরবর্ডে। বিপিএলে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় শতকের পথেই অগ্রসর হচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ অবধি শতক তার পাওয়া হয়ে ওঠেনি। কিন্তু রংপুরকে বড় সংগ্রহের ভীতটা গড়ে দিয়ে আসতে ঠিকই পেরেছেন মালান। যেটা তার কাছ থেকে প্রত্যাশা করে এসেছে রংপুর রাইডার্স।

এবারের বিপিএলটা তার বেজায় বাজে কাটছিল। ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে, স্রেফ ১১৩ স্ট্রাইকরেটে চলেছিল তার ব্যাট। তার মাপের একজন ব্যাটারের কাছ থেকে যা মোটেও প্রত্যাশিত নয়। আগ্রাসী ব্যাটিং অনুপস্থিত ছিল বটে, তবে রানের অভাবটা ছিল না। প্রায় ৫২ গড়ে রান তুলে যাচ্ছিলেন তিনি। অবশেষে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটিতে ডেভিড মালানের সত্যিকারের ব্যাটিং সত্ত্বাটা প্রকাশিত হয়েছে।











