নাহিদ রানা ইজ টু ফাস্ট টু হ্যান্ডেল! গতির তীব্র ঝড়ে ঢাকা ক্যাপিটালসের আশার আলোর দপ করে নিভে গেছে। দুর্ধর্ষ গতিতে ম্যাচের মোমেন্টাম রংপুর রাইডার্সকে এনে দেন। আর তাতেই নির্ধারিত হয় প্লে-অফে রংপুরের স্পট। চতুর্থ দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করল একবারের চ্যাম্পিয়নরা।
নাহিদ রানার এদিনের বোলিং ফিগারটাই বলে দেয় ঠিক কতটা ভয়ের অভারণ্য সৃষ্টি করেছিলেন নাহিদ। চার ওভারে স্রেফ ১১ রান বিলিয়েছেন তিনি। উইকেট নিয়েছেন তিন-তিনটি। তার ছোড়া প্রতিটা বলই যেন ছিল উল্কাপিণ্ড। ঢাকার ব্যাটাররা রীতিমত চোখে সর্ষেফুল দেখতে শুরু করেছিলেন।

প্রায় প্রতিটা বলই ১৪৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় ছুড়েছেন নাহিদ। সাইফ হাসান ফর্মে ফেরার একটা আভাস দিচ্ছিলেন এদিন। সেই সাইফের স্ট্যাম্প উপড়ে ফেলেন নাহিদ। ১৪৯ কিলোমিটার গতির সেই বলটিকে চোখেই দেখেননি সাইফ। ব্যাক লিফট থেকে ব্যাট নামাতে নামাতেই বোল্ড তিনি।
এছাড়াও বাউন্সারে ঢাকার ব্যাটারদের বুকে কাঁপন ধরিয়েছেন তিনি বহুবার। মোহাম্মদ মিঠুন তো বলের গতির সাথে তাল মেলাতে পারছিলেন না বলেই চোখ বন্ধ করে শট চালান। তার সেই শটে বিন্দুমাত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল না, অগত্যা ক্যাচ আউট হন তিনি ত্রিশ গজ বৃত্তের ভেতরেই। ভয় থেকেই যে তিনি শট চালিয়েছিলেন সে বিষয়টি ছিল দিনের আলোর মত স্পষ্ট।

আরেক মারকুটে ব্যাটার সাব্বির রহমানকেও প্যাভিলিয়নে পাঠিয়েছেন নাহিদ। তাতে করে রংপুরের ছুড়ে দেওয়া ১৮২ রানের লক্ষ্যমাত্রা টপকাতে পারেনি ঢাকা ক্যাপিটালস। নাহিদের ভয়ের চিত্র আরেকটু স্পষ্ট হয় ১৪ খানা ডট বলে। যে নাহিদের লাইনলেন্থ নিয়ে সমালোচনা হয় প্রায়শই, সেই নাহিদের বিপক্ষে একটিও বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেনি ঢাকার কোন ব্যাটার। ভয়কে আর কিভাবে বর্ণনা করা যায়?











