শেষ ওভারে জিততে ৩১ রান দরকার। প্রায় অসম্ভব এক লক্ষ্য। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন তবুও চেষ্টা করেছিলেন। রাকিবুল হাসানকে তিনটা ছক্কা হাকান। কিন্তু, তারপরও জয় থেকে ১১ রান দূরে থাকতে হয়। অপর প্রান্ত থেকে একটুু সহায়তা পেলে ম্যাচের ফলাফল ভিন্ন হতে পারত।
জয়ের সর্বাত্মক চেষ্টাই করেছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। বোলার হিসেবে নয়, ব্যাটার হিসেবে। পাঁচ ছক্কা আর তিন বাউন্ডারিতে তিনি, ঢাকা ক্যাপিটালসকে জয়ের বন্দর দেখাতে পারেননি, তবে বুঝিয়ে দিয়েছেন – প্রয়োজনে ব্যাট হাতে তিনি আজও পারফরম করতে পারেন।

আর বিশ্বকাপের আগে এই সুবাতাস বয়ে যাওয়া খুবই জরুরী ছিল। কারণ, বিশ্বকাপের মঞ্চে লোয়ার অর্ডারে ব্যাট হাতে ভরসার প্রতীক হয়ে ওঠার সক্ষমতা আছে এই সাইফউদ্দিনের। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের যেমন ভারতের বিপক্ষে প্রায় অসম্ভব এক জয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে ফেলেছিলেন ঠিক তেমন।
মিরপুরের মাঠে ঢাকা ক্যাপিটালসকেও স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু, যতক্ষণে ঝড়টা দেখাতে পেরেছেন ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। তবে, বিশ্বকাপের আগে আদতে খুব একটা দেরি করেননি সাইফউদ্দিন।

এর আগে বোলিংয়েও দারুণ ছিলেন। দুই উইকেট নিয়ে ছিলেন দলের সেরা বোলার। ম্যাচের শেষ ওভারেই দুই উইকেট নেন, রান হজম করেন মাত্র চারটি। ম্যাচ জুড়ে দেখিয়েছেন সত্যিকারের অলরাউন্ডার-সুলভ পারফরম্যান্স।










