ঢাকার বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে দিল রংপুর

ঢাকা ক্যাপিটালসের বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে দিল রংপুর রাইডার্স। প্লে-অফ খেলার মৃদু স্বপ্নের প্রদীপের সব আলো নিভে গেল ঢাকার।

ঢাকা ক্যাপিটালসের বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে দিল রংপুর রাইডার্স। প্লে-অফ খেলার মৃদু স্বপ্নের প্রদীপের সব আলো নিভে গেল ঢাকার। নাহিদ রানার গতির ঝড়ের আগে ডেভিড মালান ও তাওহীদ হৃদয়ের অনবদ্য জুটিতেই ঢাকার বিদায়ে ফাঁদ পেতেছিল রংপুর। আর সেই ফাঁদ থেকে বেড়িয়ে আসার বৃথা চেষ্টা করে এবারের মত পরাস্ত ঢাকা ক্যাপিটালস।

টসে জিতে রংপুর রাইডার্সকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নিমন্ত্রণ জানান ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। তার সেই সিদ্ধান্তকে শতভাগ ভুল প্রমাণে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেদারছে রান তুলতে থাকেন ডেভিড মালান। তার সাথে এদিন ওপেনিংয়ে নামা হৃদয়ও রানের চাকা চলমান রাখার জ্বালানির জোগান দেন। দুইজনে মিলে গড়ে ফেলনে ১২৬ রানের জুটি।

এরপর অবশ্য ২০০ ছাড়ানো লক্ষ্যমাত্রা ছুড়ে দেওয়ার কথা ছিল রংপুরের। কিন্তু শেষ দিকের ব্যাটাররা বড় রানের ভীতটা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ১৮১ রানে থামে রংপুরের রান তোলার যাত্রা। ১৮২ রানের টার্গেটে আগ্রাসী শুরু ছিল বড্ড প্রয়োজন। সেই শুরুর আভাস উসমান খান দিয়েছিলেন বটে। কিন্তু হয়নি দীর্ঘস্থায়ী।

যথারীতি আরও এক ব্যাটিং বিপর্যয়ে বিপর্যস্ত ঢাকা ক্যাপিটালস। ৯৯ রান তুলতে গিয়েই হারিয়েছে তারা ছয় উইকেট। যার সিংহভাগ কৃতীত্ব দাবি করতে পারেন নাহিদ রানা। তার গতির তাণ্ডবে ঢাকার ব্যাটারদের চক্ষু ছানাবড়া। এদিন ওই গতিতেই নাহিদ কাবু করেছেন ঢাকা ক্যাপিটালসকে। মাত্র ১১ রানের বিনিময়ে নিয়েছেন তিন উইকেট।

এরপর অবশ্য ফাইটব্যাক করার সিদ্ধান্ত নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। বাকিদের ব্যর্থতার মাঝে দাঁড়িয়ে সাইফ খেলে গেছেন লড়াকু ৫৮ রানের ইনিংস। ৩০ বলে খেলা তার সেই অপরাজিত ইনিংসের কল্যাণে শেষ অবধি জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াশই করে গেছেন। কিন্তু রংপুরের বোলাররা ভুলচুক করে নিজেদের বিপদ বাড়াননি। তাতে করে ১১ রানের পরাজয়ে বিপিএলে আর কোন সমীকরণ অবশিষ্ট রইল না ঢাকা ক্যাপিটালসের।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link