ভারতের মাটিতেই যেন মিশেল হয়ে ওঠেন আরও অপ্রতিরোধ্য

ভারতের মাটিতে এলে যেন বরাবরই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন মিশেল। ভারতের মাটিতে ১৫টি ওয়ানডে ইনিংসে ৭২.১২ গড়ে ৮৬২ রান করেছেন এই কিউই ব্যাটার। ঘরের বাইরে অন্য যেকোনো দেশেই যা তাঁর সর্বোচ্চ। ভারতের বিপক্ষে করা চারটি শতকের সব ক'টাই এসেছে স্বয়ং ভারতের মাটিতেই।

সদ্যসমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে প্রথমবারের মতো ভারতকে ভারতের মাটিতে সিরিজ হারানোর স্বাদ পেল নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। আর সেই জয়ে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন ড্যারেল মিশেল। তিন ইনিংসে ১৭৬ গড়ে ৩৫২ রান করেছেন তিনি। হাঁকিয়েছেন দুইটি শতক ও একটি অর্ধশতক।

এ অবশ্য নতুন না। ভারতের মাটিতে এলে যেন বরাবরই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন মিশেল। ভারতের মাটিতে ১৫টি ওয়ানডে ইনিংসে ৭২.১২ গড়ে ৮৬২ রান করেছেন এই কিউই ব্যাটার। ঘরের বাইরে অন্য যেকোনো দেশেই যা তাঁর সর্বোচ্চ। ভারতের বিপক্ষে করা চারটি শতকের সব ক’টাই এসেছে স্বয়ং ভারতের মাটিতেই।

প্রথম শতকটি আসে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে। ধর্মশালায় আগে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার ব্যর্থ হয়ে ফিরলে রাচিন রবীন্দ্রের সাথে দলের ব্যাটিং হাল ধরেন মিশেল। খেলেন ১২৭ হলে ১৩০ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস।

সেই বিশ্বকাপেরই সেমিফাইনালে আবারও মুখোমুখি হয় ভারত-নিউজিল্যান্ড। আবারও জ্বলে ওঠেন ড্যারেল মিশেল। ভারতের দেওয়া ৩৯৮ রানের আকাশসম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১৯ বলে ১৩৪ রান করেন মিশেল।

তৃতীয় শতকটি আসে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে। রাজকোটে সিরিজ বাঁচিয়ে রাখার ম্যাচে ভারতের দেওয়া ২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যর্থ হন দুই কিউই ওপেনার। পরবর্তীতে উইল ইয়ংকে নিয়ে দলের হাল ধরেন মিশেল। ব্যাক্তিগত ৮৭ রানে ইয়ং ফিরে গেলেও ১১৭ বলে ১৩১ রান করে ভারতের হাত থেকে জয় কেড়ে নেন মিশেল।

পরবর্তীতে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচেও আরেক শতক হাঁকান মিশেল। ইন্দোরে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতকে ৩৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেয় নিউজিল্যান্ড।  রোজকার মতো এদিনও কিউই ডেরায় ব্যাট হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন মিশেল। খেলেছেন ১৩১ বলে ১৩৭ রানের এক ঝলমলে ইনিংংস। যার সুবাদেই ভারতের মাটিতে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জেতে নিউজিল্যান্ড।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link