গ্রেট উইলিয়ামসনের গ্রেট নক!

এলেন, দেখলেন, দলের বিপদে হাল ধরলেন। কেন উইলিয়ামসন নিজের ক্লাসটা দেখালেন কেবল। মিরপুরের উইকেটের সাথে এমনভাবে মানিয়ে নিলেন যেন এই জায়গার সাথে বোঝাপড়াটা বেশ পুরনো। অবশ্য অবাক হওয়ার কিছুই নেই এতে। গ্রেট উইলিয়ামসন বলে কথা।

এলেন, দেখলেন, দলের বিপদে হাল ধরলেন। কেন উইলিয়ামসন নিজের ক্লাসটা দেখালেন কেবল। মিরপুরের উইকেটের সাথে এমনভাবে মানিয়ে নিলেন যেন এই জায়গার সাথে বোঝাপড়াটা বেশ পুরনো। অবশ্য অবাক হওয়ার কিছুই নেই এতে। গ্রেট উইলিয়ামসন বলে কথা।

জিতলে ফাইনাল, আর হারলেই বাদ। এমন সমীকরণের রাজশাহী উড়ন্ত সূচনা করেছিল। পাওয়ার-প্লেতেই স্কোরবোর্ডে এক উইকেট হারিয়ে ৬১ রান। চালকের আসনে তখন তারাই। তবে এক লহমায় সব চিত্র বদলে গেল, সময়ের দখল নিল সিলেট। ৮০ রান তুলতেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে একেবারে দিশেহারা তখন রাজশাহী।

তবে একজন তখনও দাঁড়িয়ে ছিলেন। আচমকা যে ঝড় বয়ে গেল, খড়কুটোর মতো সাজানো সবকিছু উড়িয়ে নিয়ে গেল, তিনি কেবল দেখলেন। একটু ধাতস্থ হয়ে নিলেন। এরপরই শুরু করলেন মেরামতের কাজ।

সকালের সূর্য দেখলেই বোঝা যায় দিনটা কেমন হতে যাচ্ছে। কাভারের উপর দিয়ে মোহনীয় ছক্কা হাঁকিয়ে উইলিয়ামসন বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, আজকের দিনের ভরসা তিনিই। কোনো তাড়াহুড়ো নেই, ইনিংস গড়তে হবে। স্ট্রাইক রোটেট করে গেলেন তাই নিজস্ব ভঙ্গিমায়। মারার বলটা ঠিকই পাঠিয়েছেন বাউন্ডারির ওপরে। ভালোটাকে ডট নয়, পরিণত করেছেন সিঙ্গেলে।

জিমি নিশামের সাথে গড়েছেন ৭৭ রানের দুর্দান্ত এক জুটি। শেষমেষ ব্যক্তিগত খাতায় রান এসেছে ৩৮ বলে ৪৫। এর মধ্যে বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন তিনটি, দুইটা ছয় আর একটা চার। অর্থাৎ ১৬ রান নিয়েছেন বাউন্ডারি থেকে, বাকি ২৯ রান এসেছে সিঙ্গেল, ডাবলের উপর। আর দল পেয়েছে ১৬৫ রানের লড়াকু পুঁজি।

উইলিয়ামসনের গ্রেটনেস যে এখানেই লুকিয়ে। কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁর থেকে ভালো কে পারে? উড়ে এসে বুঝিয়ে দিলেন আরও একবার, কেন তিনি সময়ের সেরা নাম।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link