এক, দুই, তিন, হ্যাটট্রিক। অবিশ্বাস্য শ্যামার স্প্রিঞ্জার, জাদুবলে নিমিষেই বদলে দিলেন ম্যাচের দৃশ্যপট। মুখের সামনে থেকে খাবার কেড়ে নেওয়ার মতো করেই আফগানিস্তানের সামনে থেকে জয়টা কেড়ে নিলেন তিনি। আর তাতেই হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এদিন আগে ব্যাট করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য যেন একাই লড়ে গেলেন ব্র্যান্ডন কিং। যদিও ৪৭ রানে ফিরতে হয় তাঁকে। বাকিরা ব্যর্থ, স্কোরবোর্ডে লড়াকু পুঁজি যে আসেনি তখনও। দায়িত্ব কাঁধে নিলেন ম্যাথুই ফোর্ড। ১১ বলে ২৭ রানের ইনিংসে বাঁচিয়ে রাখলেন দলের আশা। শেষমেষ ক্যারিবীয়ানদের স্কোরবোর্ডে জমা পড়ে ১৫১ রানের লড়াকু পুঁজি।

তবে আফগানিস্তান এক কাঠি ওপরেই থাকলো। রান তোলার কাজটা করল দাপটের সঙ্গে। একে তো লক্ষ্যটা খুব বেশি নয়, তারপর ওপেনিং জুটিতেই আসে ৭২ রান। ম্যাচের ফলাফল তখন আফগান শিবিরে প্রবেশ করেছে। কাজটা আরও সহজ করে দেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। তবে একটা ভুল করে ফেলে আফগানরা। ম্যাচটাকে বেশি ক্লোজে আনতে গিয়ে শেষমেষ হাতছাড়া করে ফেলে। অবশ্য কে জানতো স্প্রিঙ্গার করবেন অবিশ্বাস্য এক ওভার!
দুই ওভারে যখন দরকার ২৫ রান, তখনও ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়নি আফগানরা। ৭১ রান তুলে একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে গুরবাজ। হাতে আছে ছয়খানা উইকেট। তবে সবাই শেষ ভাবলেও স্প্রিঞ্জার জেতার আশা ছাড়েননি। ১৯ তম ওভারের প্রথম বলেই ফেরালেন গলার কাটা গুরবাজকে। পরের বলেই শিকার রশিদ খান। তখনও কেউ ভাবেনি ষোলকলা পূর্ণ করবেন স্প্রিঞ্জার। শহিদউল্লাহকে ইয়োর্কারে কুপোকাত করে হ্যাটট্রিক তুলে নিলেন। আর ওখানেই যবনিকা পতন ঘটে আফগানদের জেতার সম্ভাবনার। দুই ম্যাচ হারার পর ১৫ রানের জয় নিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ায় উইন্ডিজ।

সব ছাপিয়ে অবশ্য জয়ের নায়ক স্প্রিঞ্জার আর তাঁর করা ১৯ তম ওভার। এদিন চার ওভারে মাত্র ২০ রান দেইয়েই শিকার করেছেন চার চারটি উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছেন।











